গুজরাটের পর এবার কর্ণাটক, সেনা স্কুলের শৌচাগারে মিলল ছাত্রের দেহ

ভাইস প্রিন্সিপাল-সহ ৫ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ পুলিশের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৫, ২০১৮, ১৬:২১

options
link
গুজরাটের পর এবার কর্ণাটক, সেনা স্কুলের শৌচাগারে মিলল ছাত্রের দেহ

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  গুরুগ্রামের রিয়ান কাণ্ডের ছায়া এবার কর্ণাটকেও! দক্ষিণ কর্ণাটকের কোডাগু জেলার সেনাবাহিনীর পরিচালিত নামী স্কুলের শৌচাগারে মিলল নবম শ্রেণির এক ছাত্রের দেহ। ঘটনায় কোডাগু সৈনিক স্কুলের ভাইস প্রিন্সিপাল ও চারজন কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। খুনের মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত শুক্রবার গুজরাটের ভদোদরায় একটি স্কুলের শৌচাগার থেকে এক ছাত্রের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়েছিল। ঘটনাচক্রে, ওই ছাত্রটিও নবম শ্রেণিতেই পড়ত।

Advertisement

[স্কুলেই খুন নাবালক ছাত্র, অভিযোগের তির একাধিক পড়ুয়ার দিকে]

Advertisement

দক্ষিণ কর্ণাটকের কোডাগু জেলার সদর শহর কোডাগু। রাজধানী বেঙ্গালুরু থেকে দূরত্ব ২৩১ কিমি। শহরের নামী স্কুলগুলির অন্যতম কোডাগু সৈনিক স্কুল। জানা গিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যায় শৌচাগারে নবম শ্রেণির এক ছাত্রকে অচৈতন্য অবস্থা পড়ে থাকতে দেখেন কোডাগু সৈনিক স্কুল কর্তৃপক্ষ। তড়িঘড়ি তাকে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় একটি সরকারি হাসপাতালে। কিন্তু, শেষরক্ষা হয়নি। হাসপাতালে ওই ছাত্রকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসক। ঘটনাটি জানাজানি হতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে দক্ষিণ কর্ণাটকের ছোট্ট শহরটিতে। শনিবার রাতে যে  কোডাগু শহরের সরকারি হাসপাতালে ওই ছাত্রকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, সেই হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভ দেখান মৃতের পরিবারের লোক ও স্থানীয়রা। তাঁদের অভিযোগ, বাড়ির লোককে না জানিয়েই ওই ছাত্রকে সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিল স্কুল কর্তৃপক্ষ।  মৃত ছাত্রের বাবা চাকরি করেন কোডাগু সৈনিক স্কুলে। তিনি স্কুলের ক্রীড়াশিক্ষক। শোনা যাচ্ছে, কয়েক দিন আগে স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেছিলেন, যে তাঁর ছেলেকে স্কুলে নানাভাবে হেনস্তা করছেন কয়েকজন শিক্ষক। কিন্তু স্কুল কর্তৃপক্ষ বিষয়টিতে তেমন গুরুত্ব দেয়নি বলে অভিযোগ। খুনের মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ। কোডাগু সৈনিক স্কুলের ভাইস প্রিন্সিপাল ও চারজন কর্মীর ভূমিকা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

Advertisement

গত বছর গুরুগ্রামের রায়ান ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শৌচাগার থেকে উদ্ধার হয়েছিল দ্বিতীয় শ্রেণির এক ছাত্রের দেহ। ঘটনায়  তোলপাড় হয়েছিল গোটা দেশ। চাপের মুখে ঘটনার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল হরিয়ানার বিজেপি সরকার। ঘটনায় রায়ান ইন্টারন্যাশনাল স্কুলেরই উঁচু ক্লাসের এক পড়ুয়াকে গ্রেপ্তারও করা হয়। জানা যায়, পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার জন্যই দ্বিতীয় শ্রেণির ওই ছাত্রকে খুন করেছিল সে।

[প্রবল বৃষ্টির জেরে মুম্বইতে ভেঙে পড়ল ৬৫ ফুটের পাঁচিল, ক্ষতিগ্রস্ত ১৫টি গাড়ি]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.