IIT Kanpur

প্রবেশিকা পরীক্ষায় ফেল করে আইআইটি কানপুরের ওয়েবসাইট হ্যাক! দ্বিতীয় সুযোগ পড়ুয়াকে

সাইবার সিকিউরিটি বিভাগের প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পেরে আইআইটি কানপুরের ওয়েবসাইটই হ্যাক করে ফেললেন এক পড়ুয়া। এই ঘটনায় নড়েচড়ে বসল কর্তৃপক্ষ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৯, ২০২৬, ১৬:১৬

options
link
প্রবেশিকা পরীক্ষায় ফেল করে আইআইটি কানপুরের ওয়েবসাইট হ্যাক! দ্বিতীয় সুযোগ পড়ুয়াকে
পরীক্ষায় ফেল করে আইআইটি কানপুরের ওয়েবসাইট হ্যাক পড়ুয়ার।

‘পরীক্ষাতে গোল্লা পেয়ে হাবু ফেরেন বাড়ি, চোখখানি তার ছানাবড়া মুখখানি তার হাঁড়ি’। তবে সুকুমার জমানার হাবুর সঙ্গে বর্তমান জেন জির ফারাক বিস্তর। এ হাবু পরীক্ষাতে গোল্লা পেয়ে মুষড়ে পড়ে না, বরং চিরাচরিত শিক্ষানীতিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কর্তৃপক্ষের আসন নড়িয়ে দেয়। সেই ঘটনাই এবার ঘটল আইআইটি কানপুরে। সাইবার সিকিউরিটি বিভাগের প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পেরে আইআইটি কানপুরের ওয়েবসাইটই হ্যাক করে ফেললেন এক পড়ুয়া। এই ঘটনায় নড়েচড়ে বসল কর্তৃপক্ষ। আইনি পদক্ষেপের পরিবর্তে দ্বিতীয়বার পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে পড়ুয়াকে।

Advertisement

জানা যাচ্ছে, বিটেক সাইবার সিকিউরিটি প্রোগ্রামে ভর্তির প্রক্রিয়া সদ্য সমাপ্ত হয়েছে আইআইটি কানপুরে (IIT Kanpur)। এই বিভাগে ভর্তির জন্য আবেদনকারীকে হ্যাকাথন-সহ একাধিক ক্ষেত্রে নিজের দক্ষতার দেখাতে হয়। তবে পরীক্ষা দিলেও পাশ করতে পারেননি বহু পড়ুয়া। অনুত্তীর্ণ পড়ুয়াদেরই একজন এরপর বাড়িতে বসে হ্যাক করে ফেলেন আইআইটি কানপুরের ওয়েবসাইট। ওয়েবসাইটের কোনও ক্ষতি না করে সেখানে একটি বার্তা দেওয়া হয়, ‘সাইটটি হ্যাক হয়েছে, আমার শুধু একটি ন্যায্য সুযোগ প্রয়োজন।’ শুধু তাই নয় সোশাল মিডিয়াতেও বিষয়টি শেয়ার করে পড়ুয়া জানায় ওয়েবসাইটে ক্ষতি করার কোনও উদ্দেশ্য তাঁর ছিল না।

Advertisement

ওয়েবসাইটের কোনও ক্ষতি না করে সেখানে একটি বার্তা দেওয়া হয়, ‘সাইটটি হ্যাক হয়েছে, আমার শুধু একটি ন্যায্য সুযোগ প্রয়োজন।’

এই ঘটনায় রীতিমতো সাড়া পড়ে যায়। শেষে কর্তৃপক্ষের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ওই ছাত্রকে দ্বিতীয় সেমিস্টারে ফের পরীক্ষায় বসার সুযোগ দেওয়া হবে। আইআইটি কানপুরের দিরেক্তির মনীন্দ্র আগরওয়াল বলেন, ‘ওই পড়ুয়াকে ইন্টার্নশিপের সুযোগ দেওয়ার বিষয়তি চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।’ তবে একইসঙ্গে এটাও জানান যে, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট হ্যাক করে সুযোগ পাওয়ার এই পন্থা কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’

Advertisement

এদিকে প্রতিভাবান ওই পড়ুয়ার দাবি, তিনি ১৩ বছর বয়স থেকে কোডিংয়ের কাজ করছেন তবে প্রথাগত ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পরিবর্তে সাইবার নিরাপত্তা ক্ষেত্রই তাঁর পছন্দের জায়গা। এছাড়া নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানে একাধিক আসন খালি থাকা সত্ত্বেও সেখানে ভর্তির মানদণ্ড অত্যন্ত অস্পষ্ট। তাঁর সুযোগ পাওয়া উচিত ছিল, কিন্তু তিনি পাননি। যার জেরেই এই পদক্ষেপ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.