Madhya Pradesh

দেরি করে আসার শাস্তি ঘাস কাটা! মধ্যপ্রদেশের সরকারি স্কুলে ফ্যান-জানলা ভেঙে প্রতিবাদ ছাত্রীদের

'বেটি বচাও বেটি পড়াও' করেও ছাত্রীদের দুরাবস্থা কেন? তোপ কংগ্রেসের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৪, ২০:০১

options
link
দেরি করে আসার শাস্তি ঘাস কাটা! মধ্যপ্রদেশের সরকারি স্কুলে ফ্যান-জানলা ভেঙে প্রতিবাদ ছাত্রীদের
ছবি: সংগৃহীত।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সামান্য অপরাধের শাস্তি হিসাবে চড়া রোদের মধ্যে দীর্ঘক্ষণ দাঁড় করিয়ে রাখা হত। এমনকি স্কুলের ঘাস কাটা থেকে শুরু করে ক্লাসরুম পরিষ্কার করা- কার্যত অত্যাচার চলত ছাত্রীদের উপর। অবশেষে সহ্য করতে না পেরে স্কুলে ঢুকে তাণ্ডব চালাল পড়ুয়ারা। স্কুলের জানলা-সিলিং ফ্যান নষ্ট করে দিল ছাত্রীরা। যদিও স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, ছাত্রীদের এমন অভিযোগ ভিত্তিহীন।

Advertisement

ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের ভোপালে। সরোজিনী নায়ডু গার্লস হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলের ছাত্রীরা একগুচ্ছ অভিযোগ এনেছেন বিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকার বিরুদ্ধে। বুধবার স্কুলের মাঠে ধরনায় বসে শতাধিক ছাত্রী। তাঁদের অভিযোগ, বর্ষা ঝা নামে এক শিক্ষিকা মাসখানেক আগে স্কুলে যোগ দিয়েছেন। তিনি ছাত্রীদের সঙ্গে অমানবিক আচরণ করেন। এক ছাত্রীর অভিযোগ, “অনেক দূর থেকে অনেকে স্কুলে আসে। এক মিনিটও দেরি হয়ে গেলে দুঘণ্টা ধরে রোদের মধ্যে বসিয়ে রাখা হয়। নতুন এক শিক্ষিকা এসে নিয়মানুবর্তিতার নামে এসব শাস্তি দিচ্ছেন।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘ভোটের পর গোরক্ষপুরে যাবে বুলডোজার’, হুমকি অখিলেশের, পালটা দিলেন যোগীও

স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, এমন অভিযোগ ভিত্তিহীন। এক মাস আগে অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্মীকে স্কুলের শিক্ষিকা হিসাবে নিয়োগ করা হয়েছিল। তিনি ছাত্রীদের নিয়মানুবর্তিতার পাঠ দিচ্ছিলেন। কিন্তু তাঁর আচরণের কারণে ছাত্রীদের কোনও সমস্যা হচ্ছিল না। তবে দীর্ঘ একমাস পরে অবশেষে প্রতিবাদে ফেটে পড়ে স্কুলের ছাত্রীরা। স্কুল ইউনিফর্ম পরে তারা ধরনা শুরু করে। বেশ কয়েকটি ভিডিওতে দেখা যায়, বেঞ্চের উপরে উঠে দাঁড়িয়ে ফ্যান ভেঙে দিচ্ছে যাত্রীরা। ক্লাসরুমের জানলাও ভেঙে দেয় তারা।

Advertisement

পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়ে ওঠে যে স্কুলে পুলিশ ডাকতে হয়। বিশেষ বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। স্কুলে পৌঁছন মধ্যপ্রদেশ সরকারের শিক্ষা দপ্তরের ডিরেক্টর। তার পরেই অনির্দিষ্টকালীন ছুটিতে পাঠানো হয়েছে অভিযুক্ত শিক্ষিকাকে। গোটা ঘটনায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজাও। শাসক দল বিজেপিকে বিঁধে কংগ্রেসের তোপ, বেটি বচাও বেটি পড়াও স্লোগান দেওয়ার পরে কেন ছাত্রীদের এমন অবস্থার শিকার হতে হচ্ছে?

[আরও পড়ুন: বক্তব্য শোনা হয়নি হাই কোর্টে, এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ সন্দীপ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.