Sunetra Pawar

মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন অজিতের স্ত্রী সুনেত্রা! জানতেনই না, বিস্ফোরক দাবি শরদের

শরদ দাবি করলেন, সুনেত্রা যে শপথ নেবেন বা উপমুখ্যমন্ত্রী হবেন সেসব তিনি জানতেন না। সবটাই জেনেছেন সংবাদমাধ্যমে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩১, ২০২৬, ১৮:০১

options
link
মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন অজিতের স্ত্রী সুনেত্রা! জানতেনই না, বিস্ফোরক দাবি শরদের
সুনেত্রা পওয়ার ও শরদ পওয়ার। ফাইল ছবি।

অজিত পওয়ারের মৃত্যুতে (Ajit Pawar Death) দুই পওয়ারের দুই এনসিপির অবশ্যম্ভাবী পুনর্মিলন কি ভেস্তে গেল? অন্তত মারাঠা স্ট্রংম্যান শরদ পওয়ারের বক্তব্যে তেমনই ইঙ্গিত মিলল। শরদ দাবি করলেন, সুনেত্রা (Sunetra Pawar) যে শপথ নেবেন বা উপমুখ্যমন্ত্রী হবেন সেসব তিনি জানতেন না। সবটাই জেনেছেন সংবাদমাধ্যমে। পরিবারে এ নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি।

Advertisement

বুধবার সকালে বিমান ভেঙে পড়ে মৃত্যু হয় অজিতের। তাঁর প্রয়াণের কয়েকঘণ্টার মধ্যেই দলীয় ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু করে দেয় এনসিপি। সূত্রের খবর, এনসিপির ওয়ার্কিং প্রেসিডেন্ট প্রফুল প্যাটেল এবং দলের অন্যান্য নেতারা আলাদা করে কথা বলেন সুনেত্রার সঙ্গে। সেই বৈঠক পরই ঠিক হয় অজিতের অনুপস্থিতিতে উপমুখ্যমন্ত্রী করা হবে সুনেত্রাকেই। এনসিপি চাইছে পওয়ারদের গড় বারামতি থেকে সুনেত্রাকে (Sunetra Pawar) প্রার্থী করতে। এই বারামতি থেকেই সাতবার বিধায়ক হয়েছিলেন অজিত।

Advertisement

এসবের পাশাপাশি আবার এনসিপির দুই শিবিরের পুনর্মিলন নিয়েও আলোচনা চলছিল। সদ্য পিম্পরি-চিঁচওয়াড় ও পুণের পুরসভায় ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করেছে এনসিপির দুই শিবির। তাতে আশানুরূপ ফল আসেনি। তবে সেটা ছিল জোট। সব ঠিক থাকলে মহারাষ্ট্রের জেলা পরিষদের নির্বাচনও যৌথভাবে লড়াই করার কথা ছিল দুই শিবিরের। এবার আর আলাদা আলাদা প্রতীকে নয়। দুই শিবিরের প্রার্থীরাই অজিত পওয়ারের এনসিপির ‘ঘড়ি’ প্রতীকে লড়ার ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন। জানা গিয়েছে, পর্দার আড়ালে কাকা শরদ পওয়ারের দল এনসিপি (শরদচন্দ্র পওয়ার) এবং তাঁর এনসিপিকে মিলিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে সিলমোহর দিয়েছিলেন অজিত। জেলা পরিষদের নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর ৮ ফেব্রুয়ারিই দুই শিবির পুনর্মিলন ঘোষণা করার কথা ছিল। কিন্তু অজিতের মৃত্যু কী সব ভেস্তে দিল?

Advertisement

অজিত বেঁচে থাকলে প্রস্তাবিত ঐক্যবদ্ধ এনসিপির নেতা হওয়ার ক্ষেত্রে তিনিই সবার চেয়ে এগিয়ে থাকতেন তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু তাঁর মৃত্যুর পর সেটা কে হবেন তা নিয়ে সন্দেহ ছিল। এনসিপির অন্দরে অনেকেই বলছিলেন প্রবীণ পওয়ার বা তাঁর মেয়ে সুপ্রিয়ার ঐক্যবদ্ধ এনসিপির হাল ধরা উচিত। কিন্তু এসবের মধ্যেই সুনেত্রা উপমুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন। শরদের দাবি, এ নিয়ে তিনি পরিবারের সঙ্গে আলোচনাও করেননি। অর্থাৎ শরদকে অন্ধকারে রেখে তাঁর এই সিদ্ধান্তে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি শরদের নেতৃত্ব মানতে চাইছেন না সুনেত্রারা? আদৌ দুই শিবিরের পুনর্মিলন হবে তো?

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.