সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কার্যত স্বস্তি দিল সুপ্রিম কোর্ট। সাহারা-বিড়লার কাছ থেকে মোদির ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে তদন্তের আরজি খারিজ করে দিল শীর্ষ আদালত। আদালত জানিয়ে দিল, মোদির বিরুদ্ধে যে তথ্য-প্রমাণ পেশ করেছেন অভিযোগকারী আইনজীবী, তা যথেষ্ট নয়।
রাজনীতিবিদ ও কর্পোরেট হাউসগুলির মধ্যে বেআইনি অর্থ লেনদেনের বিরুদ্ধে আদালতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন প্রশান্ত ভূষণ। তাতে একাধিক রাজনীতিবিদের বিরুদ্ধে কর্পোরেট সংস্থাগুলির থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ করেছিলেন তিনি। তালিকায় প্রধানমন্ত্রীর নামও ছিল। কিন্তু আজ আদালত জানিয়ে দিল, যে নথিপত্রের উপর ভিত্তি করে ভূষণ অভিযোগ জানিয়েছেন তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। সাহারা ও বিড়লার একাধিক অফিসে হানা দিয়ে সিবিআই যে ডায়েরি ও নথি উদ্ধার করেছে, সেগুলি সাক্ষ্য হিসাবে আদালতে জমা দিলেও তার উপর ভিত্তি করে তদন্ত চালানো যায় না বলে এদিন জানিয়েছে শীর্ষ আদালত।
কংগ্রেসের সহ-সভাপতি রাহুল গান্ধীও অভিযোগ করেন, সাহারা শিল্প গোষ্ঠীর কাছ থেকে ৯ বার টাকা নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ২০১৩ সালে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন নরেন্দ্র মোদি সাহারা গোষ্ঠী টাকা নেন বলে তিনি অভিযোগ তুলেছিলেন তিনি। শুধু সাহারা গোষ্ঠী নয়, আদিত্য বিড়লা গোষ্ঠীর থেকেও নাকি মোদি বিপুল অংকের টাকা নিয়েছেন বলে দাবি করেন রাহুল। এর আগেও অবশ্য শীর্ষ আদালত এই একই কথা জানিয়েছিল। একটি দুর্নীতিগ্রস্ত সংস্থার নথির মূল্য শীর্ষ আদালতের কাছে শূন্য। যে কেউ কোনও কাগজে প্রধানমন্ত্রীর নাম লিখে দিতেই পারে। তাতে কিছু প্রমাণিত হয় না, স্পষ্ট জানিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট।
সর্বশেষ খবর
-
সোমালিয়ার সমুদ্রে জলদস্যুদের তাণ্ডবে নিহত কলকাতার নাবিক, শোকে পাথর পরিবার
-
ফ্লাই দুবাইয়ের হামলাকারী সহ-পাইলটের ইরান যোগ! সাংঘাতিক ইঙ্গিত ট্রাম্পের
-
আগেও বহুবার সাউথ পয়েন্টের আহত সহপাঠীকে ‘টার্গেট’, কেন বারবার হামলা? তদন্তে পুলিশ
-
ফ্লাই দুবাই মনে করাচ্ছে কান্দাহার বিমান অপহরণ, মিউনিখ গণহত্যার মতো ঘটনাকে
-
পুজোয় পুরী যাওয়ার পথে একরাত কাটুক জঙ্গলে, সাফারিতে দেখা পেতে পারেন হাতিরও