Sonia Gandhi

নাগরিকত্বের আগে ভোটাধিকার মামলায় চাপে সোনিয়া? নথি জমা দিতে চাইলেন সময়

পুরনো নথি দিতে সময় লাগবে, আদালতে জানালেন সোনিয়ার আইনজীবীরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৭, ২০২৬, ২০:২৩

options
link
নাগরিকত্বের আগে ভোটাধিকার মামলায় চাপে সোনিয়া? নথি জমা দিতে চাইলেন সময়

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নাগরিকত্বের আগে ভোটাধিকার ইস্যুতে কি চাপে কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী (Sonia Gandhi)? কংগ্রেসের সংসদীয় দলের চেয়ারপার্সনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, নাগরিকত্ব পাওয়ার আগেই ভোটার তালিকায় নাম তুলে নিয়েছিলেন তিনি। এই অভিযোগে সোনিয়ার কী জবাব? ৬ জানুয়ারির মধ্যে জানানোর নির্দেশ দিয়েছিল দিল্লির এক আদালত। কিন্তু সময়মতো নথি জমা না করে বাড়তি সময় চেয়ে নিলেন তিনি।

Advertisement

দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ কোর্টে সোনিয়ার নাগরিকত্ব মামলার শুনানি চলছে। মঙ্গলবার কংগ্রেস নেত্রীর তরফে আইনজীবীরা জানিয়েছেন, আদালত যে নথি চেয়েছে সেগুলি পাঁচ দশকের পুরনো। ওই সব নথি জোগাড় করে জমা করতে আরও সময় প্রয়োজন। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে তাঁকে।

Advertisement

সোনিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ, ১৯৮০ সালে ভোটার তালিকায় নাম তোলা হয়েছিল তাঁর। যদিও তিনি আরও তিন বছর পরে ভারতের নাগরিকত্ব পেয়েছিলেন। কিছুদিন আগে এক্স হ্যান্ডেলে ১৯৮০ সালের দিল্লির একটি বুথের তালিকার ছবি পোস্ট করেন বিজেপি আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য। সেই তালিকায় দেখা গিয়েছে সোনিয়া গান্ধীর নাম। মালব্য দাবি করেন, ১৯৮০ সালের ভোটার তালিকা সংশোধন করার সময় সোনিয়ার নাম যুক্ত করা হয়। তিনি আরও দাবি করেছেন, জনগণের বিরোধিতার মুখে সেই নাম ১৯৮২ সালে বাদ দেওয়া হলেও ১৯৮৩ সালের জানুয়ারি মাসে তাঁকে ফের তালিকাভুক্ত করা হয়। যদিও ১৯৮৩ সালের এপ্রিল মাসে ভারতের নাগরিকত্ব পান সোনিয়া।

Advertisement

এই অভিযোগে সোনিয়ার বিরুদ্ধে আগেই মামলা দায়ের হয়েছিল দিল্লির এক ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে। সেই মামলা দায়েরের আর্জি খারিজ করে দেয় আদালত। আদালত জানিয়েছিল, নির্বাচন কমিশনের এক্তিয়ারভুক্ত বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা যায় না। । নিম্ন আদালতের সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই রাউস অ্যাভিনিউ কোর্টে যান বিকাশ ত্রিপাঠী নামের আইনজীবী। তাঁর দাবি, ১৯৮২ সালের ভোটার তালিকা থেকে সোনিয়ার নাম মুছে দেওয়ার পর ১৯৮৩ সালে জাল নথির মাধ্যমে ফের তা অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তাঁর অভিযোগ, সেসময় কিছু না কিছু নথি জাল করা হয়েছিল। এ নিয়ে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের মামলা দায়েরর অনুমতি চাওয়া হয়েছে। সেই মামলায় আদালত সোনিয়া এবং দিল্লি পুলিশকে নোটিস পাঠিয়েছে।

সেই মামলার ভিত্তিতেই সোনিয়াকে অবস্থান জানাতে বলা হয়েছিল। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তাঁকে জবাব দিতে হবে। যদিও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আগেই স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁর মায়ের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠছে, সেটা ভিত্তিহীন। তাঁর মা নাগরিক হওয়ার পরই ভোটার তালিকায় নাম তুলেছেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.