Supreme Court

সুপ্রিম কোর্টে সপ্তাহে দু’দিন ভার্চুয়াল শুনানি, বিভিন্ন রাজ্যে অনলাইনে শুরু পড়াশোনা

জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর আর্জির পর বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা গাড়ির খরচ কমিয়েছেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৬, ২০২৬, ০৯:০৩

options
link
সুপ্রিম কোর্টে সপ্তাহে দু’দিন ভার্চুয়াল শুনানি, বিভিন্ন রাজ্যে অনলাইনে শুরু পড়াশোনা
ফাইল ছবি।

বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে দেশবাসীর কাছে বুঝেশুনে পেট্রোপণ্য ক্রয়, গ্যাসের খরচ নিয়ন্ত্রণ, সোনা না কেনা এবং বিদেশ ভ্রমণ নিয়ন্ত্রণের আর্জি জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তারপর লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা থেকে শুরু করে বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা গাড়ির খরচ কমিয়েছেন। বিভিন্ন রাজ্যে অনলাইনে স্কুল-কলেজে পড়াশোনা, কাজের ব্যবস্থা শুরু হয়েছে। এবার সুপ্রিম কোর্ট সপ্তাহে দু’দিন (সোম ও শুক্রবার) সম্পূর্ণ ভার্চুয়াল বা ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে মামলার শুনানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বাকি কার্যদিবসগুলিতে (মঙ্গল থেকে বৃহস্পতিবার) হাইব্রিড মোডে শুনানি চলবে, যেখানে আইনজীবীরা সশরীরে বা অনলাইনে উপস্থিত থাকতে পারবেন।

Advertisement

পশ্চিম এশিয়ার দীর্ঘস্থায়ী ভূ-রাজনৈতিক সংকট থেকে উদ্ভূত জ্বালানি সাশ্রয়ের উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে, সুপ্রিম কোর্ট শুক্রবার জুন ও জুলাই মাসের আংশিক কার্যদিবসে সোমবার ও শুক্রবার বাধ্যতামূলক ভার্চুয়াল শুনানির নির্দেশ দিয়েছে এবং একই সঙ্গে শীর্ষ আদালত রেজিস্ট্রি কর্মীদের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত সপ্তাহে দু’দিন বাড়ি থেকে কাজ করার অনুমতি দিয়েছে। জ্বালানি খরচ কমাতে শীর্ষ আদালতের বিচারপতিরাও কারপুলিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিশ্বব্যাপী অপরিশোধিত তেলের দামে তীব্র বৃদ্ধি এবং ভারতের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে শুক্রবার সকালে একটি পূর্ণাঙ্গ আদালত বৈঠকের পর প্রধান বিচারপতি (সিজেআই) সূর্যকান্তের নির্দেশে এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।

Advertisement

শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের সেক্রেটারি জেনারেল ভারত পরাশর কর্তৃক জারি করা একটি সার্কুলারে বলা হয়েছে যে, ‘বিবিধ দিনগুলিতে’—অর্থাৎ সোমবার, শুক্রবার বা বিবিধ দিন হিসাবে ঘোষিত অন্য কোনও দিনে তালিকাভুক্ত সমস্ত বিষয়, সেই সঙ্গে আদালতের আংশিক কার্যদিবসে তালিকাভুক্ত বিষয়গুলির শুনানি ‘শুধুমাত্র ভিডিও-কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমেই হবে।’ সার্কুলারে বলা হয়েছে যে, ‘মাননীয় আদালতের যাতে কোনও অসুবিধা না হয়’ সেজন্য স্থিতিশীল ভিডিও-কনফারেন্সিং সুবিধা এবং সময়োপযোগী প্রযুক্তিগত সহায়তা নিশ্চিত করতে রেজিস্ট্রিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

আদালত রেজিস্ট্রির প্রতিটি শাখা বা বিভাগের ৫০% পর্যন্ত কর্মীকে সপ্তাহে সর্বোচ্চ দু’দিন বাড়ি থেকে কাজ করার অনুমতি দিয়েছে। রেজিস্ট্রারদের সাপ্তাহিক রোস্টার প্রস্তুত করতে এবং আদালত প্রশাসনের নিরবচ্ছিন্ন কার্যক্রম নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। সার্কুলারে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, দূর থেকে কাজ করার অনুমতিপ্রাপ্ত কর্মীদের যাতে ফোনে পাওয়া যায় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অফিসে উপস্থিত হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। এতে সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রারদের এই ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে যে, জরুরি কাজের জন্য এই ব্যবস্থা অকার্যকর মনে হলে তাঁরা বাড়ি থেকে কাজ করার ব্যবস্থা সীমিত বা পরিবর্তন করতে পারবেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.