সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কেবল দেশের সাধারণ নাগরিকরাই নন, গোরক্ষক ও গণপিটুনির আতঙ্ক এখন গ্রাস করেছে মুসলিম রাজনৈতিক নেতাদেরও৷ আর সেই আতঙ্কের জেরেই উপহারে পাওয়া গরুও ফিরিয়ে দিলেন সমাজবাদী পার্টির রাজ্যসভার সাংসদ তানজিম ফতেমা৷ যিনি আবার সপা নেতা আজম খানের স্ত্রী৷
[ইভিএম কারচুপির অভিযোগ এড়াতে উদ্যোগ, ১৬ লক্ষ ভিভিপ্যাট কিনছে কমিশন]
সংবাদমাধ্যমকে তানজিম ফতেমা জানিয়েছেন, সম্প্রতি রাজস্থানের আলোয়ারে সন্দেহের বশে যেভাবে একজন নিরীহ সংখ্যালঘু যুবককে পিটিয়ে মারা হয়েছে তাতে তিনি আতঙ্কিত৷ তাঁর আশঙ্কা, আক্রোশের বশে উপহারে পাওয়া তাঁদের গরুটিকেও কেউ হত্যা করতে পারে এবং সেই হত্যার দোষ চাপাতে পারে তাঁদের পরিবারের উপরে৷ সেই কারণেই যাঁর কাছ থেকে গরুটি তাঁরা উপহার হিসাবে পেয়েছিলেন তাঁকেই ফিরিয়ে দিয়েছেন৷ জানা গিয়েছে, খান পরিবারকে গরুটি উপহার দিয়েছিলেন গোবর্ধন পিঠের শংকরাচার্য অধ্যক্ষনন্দ মহারাজ৷ কেবল আশঙ্কা প্রকাশ করেই ক্ষান্ত থাকেননি এই রাজ্যসভার সাংসদ৷ অভিযোগ করেন, এনডিএ শাসনে গত চারবছরে দেশজুড়ে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করেছে উগ্র গেরুয়াপন্থীরা৷
[ইভিএম কারচুপির অভিযোগ এড়াতে উদ্যোগ, ১৬ লক্ষ ভিভিপ্যাট কিনছে কমিশন]
প্রসঙ্গত, এই সমাজবাদী পার্টির নেত্রীই ঘোষণা করেছিলেন, মথুরা জেলার গোয়ালগুলির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য তিনি সাংসদ তহবিল থেকে ২৫ লাখ টাকা অনুদান দেবেন৷ কিন্তু ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে বুধবার জানান, গো-রাজনীতির অংশ হতে তিনি ইচ্ছুক নন৷ কেবল তাই নয়, আলোয়ারে ঘটে যাওয়া ঘটনা তাঁদের এতটাই প্রভাবিত করেছে যে, মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষদের গরু বা এই সংক্রান্ত বিষয় থেকে দূরে থাকার আবেদন করেছেন সমাজবাদী পার্টির শীর্ষ নেতা আজম খান ও তাঁর স্ত্রী৷ জানিয়েছেন, গরুর বিক্রি বা ডেয়ারি ব্যবসার সঙ্গে যে সমস্ত মুসলমানরা যুক্ত রয়েছেন, তাঁরা যেন এখই সেই ব্যবসা বন্ধ করে দেন৷ যাতে নিজেদের পাশাপাশি, তাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেও রক্ষা করা যায়৷
সর্বশেষ খবর
-
পাহাড় ডাকছে? পিঠে ব্যাগ তোলার আগে শরীরের এই পরীক্ষাগুলি করিয়ে নিন
-
ব্রহ্মপুত্রে ‘টাইমবোমা’ চিনের, নেপাল বিপর্যয়ে বিপদঘণ্টা ভারতের! কী করবে দিল্লি?
-
ইপিএফও এবং আয়করের তথ্যও বেসরকারি হাতে! ‘উদ্বেগজনক, ব্যবস্থা নিন’, কেন্দ্রকে বলল সুপ্রিম কোর্ট
-
সন্দেশখালিতে পুকুর থেকে উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র-গুলি, গ্রেপ্তার শাহজাহান ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা
-
হাজার হাজার টাকা হাতিয়েছে প্রতারক, বিচার পাচ্ছেন না খোদ বিচারক! কাঠগড়ায় পুলিশ