টিম পিকের ‘সবকি রসোই’

কঠিন সময়ে দুর্গতদের অন্নদাতা টিম পিকে, রোজ দেড় লক্ষ মানুষকে খাওয়াবে তাঁর সংস্থা

‘সবকি রসোই’ প্রকল্পে শামিল হতে পারেন আপনিও, রইল যোগাযোগের নম্বর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৪, ২০২০, ১৭:১৮

options
link
কঠিন সময়ে দুর্গতদের অন্নদাতা টিম পিকে, রোজ দেড় লক্ষ মানুষকে খাওয়াবে তাঁর সংস্থা

সুমিত বিশ্বাস: লকডাউনের সময়ে দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে এল টিম পিকে। মহামারির সংক্রমণ রুখতে এমন কঠিন সময়ে দেশের প্রত্যেক মানুষের মুখে অন্ন তুলে দিতে ‘সবকি রসোই’ চালু করছে তাদের সংস্থা আই-প্যাক। টুইটারে একথা ঘোষণা করা হয়েছে। আগামিকাল, অর্থাৎ রবিবার থেকেই দেশের ২০-২৫টি শহরে শুরু হয়ে যাবে সংস্থার তত্বাবধানে রান্না করা খাবার। আগামী ১০দিনে পনেরো লক্ষ মানুষের খাবারের দায়িত্ব নিচ্ছে প্রশান্ত কিশোরের নেতৃত্বাধীন সংস্থা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অরবিন্দ কেজরিওয়ালদের ভোটকুশলী এভাবেই বুঝিয়ে দিলেন, রাজনীতির বাইরেও তাঁর এক বৃহৎ কর্মজগত আছে।

Advertisement

কোনও মানুষ যেন অনাহারে না থাকেন, এই সংকটকালে এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য প্রশাসন থেকে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব – সকলের। এমনকী রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দও শুক্রবার জরুরি বৈঠক করে
এই বার্তা দিয়েছেন। তাঁর মতে, লকডাউনের সময় কেউ যাতে অভুক্ত না থাকেন, সেই নিশ্চয়তা চাই। সেদিকে নজর রেখে বিভিন্ন রাজ্যের সরকারই উদ্যোগী হয়েছে। বাংলায় প্রশাসনিক স্তরের পাশাপাশি শাসকদল তৃণমূলের তরফেও এই খাবার বিলির কাজ শুরু হয়েছে একেবারে গ্রামাঞ্চল থেকে। লকডাউনে বাজার বন্ধে যাতে কাউকে দু বেলা খাবার জোগাড়ের চিন্তা করতে না হয়, তার জন্যই এই পদক্ষেপ। মহামারির কোপ থেকে বাঁচতে সাবধানে থাকার পাশাপাশি শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে পেটভরে খাওয়াই যে একমাত্র হাতিয়ার ,তা কে না জানে?

[আরও পড়ুন: ‘আও, ফির সে দিয়া জালায়ে’, বাজপেয়ীর কবিতা টুইট করে উদ্বুদ্ধ করলেন প্রধানমন্ত্রী]

মানুষের জীবনধারণের অন্যতম প্রাথমিক চাহিদা, খাবার বণ্টনের কাজেই এগিয়ে এল টিম পিকে। দেশের ২০ থেকে ২৫টি শহরে আই-প্যাক খাবার সরবরাহ শুরু করবে রবিবার থেকে। লক্ষ্য, আগামী ১০ দিনে ১৫ লক্ষ খাবার পৌঁছে দেওয়া। প্রতিদিন এর সঙ্গে যুক্ত থাকছেন প্রায় ১০০০ জন স্বেচ্ছাসেবক এবং পেশাদাররা। লকডাউনের সময় সরকারের জারি করা যাবতীয় নিয়ম-নির্দেশিকা মেনে এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই রান্না করা খাবার দেওয়ার কাজ চলবে। একটি খাদ্য প্রস্তুতকারী সংস্থা নিজেদের রান্নাঘরে সর্বোচ্চ সুরক্ষাবিধি মেনে রান্নার কাজটি করবে, এরপর খাবারের প্যাকেজিংও হবে যাবতীয় নিয়ম মেনে। বণ্টনের কাজেও একই বিধি প্রযোজ্য। সকলের হাতে যথাযোগ্য সম্মানের সঙ্গে খাবার তুলে দিতে হবে। কোথাও কোনও ফাঁকি চলবে না, কড়া নির্দেশ পিকে ‘স্যরের’। গোটা কর্মসূচির নাম ‘সবকি রসোই’ – সকলের রান্নাঘর।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

PK-Food-Packing

ট্রায়াল রান বা পরীক্ষামূলক কাজ ইতিমধ্যেই শেষ। তাতে ২.৫ হাজার থেকে ৪.৫ হাজার মানুষের কাছে খাবার পৌঁছে দেওয়া হয়েছে দেশের বিভিন্ন শহরে। এবার সেই কাজ বড় পরিসরে চালু হচ্ছে। টিম পিকের এই উদ্যোগে আপনারাও সামিল হতে পারেন। ৬৯০০৮৬৯০০৮ – এই নম্বরে যোগাযোগ করে সহ নাগরিকের দিকে বাড়িয়ে দিতেই পারেন আপনার সাহায্যের হাত।

[আরও পড়ুন: ‘ওরা বাড়ি না জ্বালিয়ে দেয়’, প্রধানমন্ত্রীর আবেদনকে কটাক্ষ শিব সেনা সাংসদের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.