Telangana

পরীক্ষার মাঝে পেটে যন্ত্রণা, শৌচালয়ে সন্তানের জন্ম দিল কিশোরী! বাবা কে? খুঁজছে পুলিশ

১৬ বছরের নাবালিকা তেলেঙ্গানার একটি আবাসিক বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৫, ২০২৬, ১৪:৩৭

options
link
পরীক্ষার মাঝে পেটে যন্ত্রণা, শৌচালয়ে সন্তানের জন্ম দিল কিশোরী! বাবা কে? খুঁজছে পুলিশ
প্রতীকী ছবি।

ঘণ্টা খানেক পরীক্ষা দেওয়ার পরেই প্রবল পেটের যন্ত্রণা। শেষ পর্যন্ত ডায়গনস্টিক সেন্টারের শৌচালয়ে সন্তানের জন্ম দিল তেলেঙ্গানার (Telangana) ১৬ বছরের নাবালিকা। পুলিশ জানিয়েছে, মেয়েটি একটি আবাসিক বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রী। ঘণ্টা খানেক পরীক্ষা দেওয়ার পরে প্রবল পেটের যন্ত্রণা শুরু হয় তার। খবর পেয়ে বাড়ির লোক কিশোরীকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানকার চিকিৎসকের পরামর্শে পরীক্ষানিরীক্ষার জন্য পার্শ্ববর্তী একটি ডায়গনিস্টিক সেন্টারে যাওয়া হয় তাকে। সেখানে শৌচালয় সন্তানের জন্ম দেয় সে।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ঘটনা তেলেঙ্গানার (Telangana) নাগারকুরনুলের। ডায়গনস্টিক সেন্টারের কর্মীরা পুলিশকে ফোন করেন। তারা জানান, স্কুলে পরীক্ষা দেওয়ার মাঝপথে তীব্র পেটের যন্ত্রণা অনুভব করে কিশোরী। পরিবারের লোকেরাই তাকে বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিল। এরপর ডায়গনস্টিক সেন্টারে স্ক্যান করাতে আনা হয় কিশোরীকে। এক সময় মেয়ে ও মা ডায়গনস্টিক সেন্টারের শৌচালয়ে ঢোকে। দাবি, সেখানেই সন্তানের জন্ম দেয় কিশোরী। ডায়গনস্টিক সেন্টারের কর্মীদের অভিযোগ, সদ্যোজাতকে শৌচালয়ের ময়লা ফেলার ডাস্টবিনে ফেলে দিয়েছিল কিশোরী ও তার মা। বিষয়টি তাদের চোখে পড়তেই পুলিশকে ফোন করে জানান তাঁরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নাবালিকা কিশোরীর গর্ভবতী হওয়ার নেপথ্যে কে? জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। কিশোরী এবং তার মাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পকসো আইনে মামলা রুজু করা হবে কিনা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। উল্লেখ্য, গত মাসে মধ্যপ্রদেশে মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন পরীক্ষাকেন্দ্রে সদ্যোজাতর জন্ম দেয় ১৭ বছরের এক নাবালিকা।

Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.