প্রবেশ বর্মা

‘শাহিনবাগের বিক্ষোভকারীরা ধর্ষক, খুনি’, কুকথা আরেক বিজেপি সাংসদের

ক্ষমতায় এলে এক ঘণ্টায় খালি করে দেব শাহিনবাগ, হুমকি সাংসদের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৮, ২০২০, ১৪:১৪

options
link
‘শাহিনবাগের বিক্ষোভকারীরা ধর্ষক, খুনি’, কুকথা আরেক বিজেপি সাংসদের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শাহিনবাগের বিক্ষোভকারীদের নিয়ে কুকথার পাহাড় তৈরি করছেন বিজেপি নেতারা। কপিল মিশ্র, অনুরাগ ঠাকুরের গুলি মারার নিদানের পর এবার বিক্ষোভকারী নাগরিকদের ধর্ষক ও খুনি বলে বসলেন আরেক বিজেপি সাংসদ। শুধু তাই নয়, পশ্চিম দিল্লি লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ প্রবেশ কুমার সিং বর্মা (Parvesh Sahib Singh Verma) বলছেন, দিল্লিতে বিজেপি ক্ষমতায় এলে এক ঘণ্টার মধ্যে শাহিনবাগের বিক্ষোভকারীদের ফাঁকা করে দেব।

Advertisement

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন পাশ হওয়ার পর থেকেই রাজধানীর বুকে অরাজনৈতিক এবং অহিংস আন্দোলন চলছে। শাহিনবাগের এই আন্দোলনের মুখ মূলত মহিলারা। সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক এই বিক্ষোভই এখন টার্গেট বিজেপির। ইতিমধ্যেই গেরুয়া শিবিরের দুই নেতা শাহিনবাগের বিক্ষোভকারীদের গুলি করার হুমকি দিয়েছেন। খোদ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ এই বিক্ষোভের সমর্থনকারীদের দেশদ্রোহী বলে কটাক্ষ করেছেন। তবে, এসব ছাপিয়ে গেলেন পশ্চিম দিল্লি লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ প্রবেশ কুমার সং বর্মা। তিনি সরাসরি বিক্ষোভকারীদের ধর্ষক ও খুনি বলে দিলেন। দিল্লির এক নির্বাচনী জনসভায় প্রবেশ বর্মা বলেন, “ওঁরা আপনাদের ঘরে ঢুকে মেয়ে-বোনেদের খুন, ধর্ষণ করবে। এখনও সময় আছে। এরপর কিন্তু মোদি-শাহ আর বাঁচাতে আসবে না।” প্রবেশ বলেন, “মনে রাখতে হবে এটা শুধু একটা নির্বাচন নয়। এই নির্বাচনেই ঠিক হয়ে যাবে দেশের ঐক্য।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: খোদ অমিত শাহর জনসভায় CAA বিরোধী স্লোগান! চাঞ্চল্য দিল্লিতে]

দিল্লিতে বিজেপি ক্ষমতায় এলে শাহিনবাগের বিক্ষোভকারীদের এক ঘণ্টার মধ্যে হটিয়ে দেওয়ারও হুমকি দিয়েছেন তিনি। বিজেপি সাংসদ বলছেন, “দিল্লিতে বিজেপি ক্ষমতায় এলে এক ঘণ্টার মধ্যে শাহিনবাগ ফাঁকা করে দেব।” উল্লেখ্য, সদ্যই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরের সভা থেকে সিএএ বিরোধী বিক্ষোভকারীদের গুলি করার দাবি উঠেছে। বিজেপি সমর্থকদের সেই দাবিতে ইন্ধন জুগিয়েছেন খোদ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। সেই বিক্ষোভ নিয়ে বিতর্ক শেষ হওয়ার আগেই নতুন বিতর্কের জন্ম দিলেন প্রবেশ বর্মা।লাগাতার গেরুয়া শিবিরের নেতাদের এই আইন হাতে তুলে নেওয়ার বার্তাকে তীব্র কটাক্ষ করছে বুদ্ধিজীবী মহল। অনুরাগের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে মার্কন্ডেয় কাটজু বলছেন, এতেই বোঝা যাচ্ছে, দেশে ফ্যাসিজমের আধার নেমে আসছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.