রান্নার গ্যাসের ই-কেওয়াইসি (LPG E-KYC) নিয়ে জট যেন কাটছেই না! ডেডলাইন দু’দফায় বাড়ল। প্রথমে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত আধার সংযোগের সময়সীমা দেওয়া হয়েছিল। পরে তা বাড়িয়ে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত করা হয়। এবার জানানো হয়েছে, ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ই-কেওয়াইসি করা যাবে। কিন্তু এভাবে তারিখের পর তারিখ বাড়িয়েও গ্রাহকদের একাংশ সাড়া না দেওয়ায় পরিষেবা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এলপিজি সরবরাহকারী মূল তিন সংস্থার দাবি, এখনও পর্যন্ত ১৩ শতাংশ গ্রাহকের ই-কেওয়াইসি হয়নি।
আরও পড়ুন:
ই-কেওয়াইসির চেয়েও এই মুহূর্তে বড় হয়ে উঠেছে নাম পরিবর্তন অথবা কারও মৃত্যুতে পরিবারের কোনও সদস্যর নামে সেই সংযোগ রাখার আবেদনে ঢিলেমি। যা আবশ্যিক বলেই জানিয়ে দিয়েছে সংস্থাগুলি। তবে ডিস্ট্রিবিউটরদের আক্ষেপ, কেন্দ্র যদি সময়সীমা নিয়ে কড়া অবস্থান নিত তাহলে হয়তো গ্রাহকরা বেশি তৎপর হতেন দ্রুত কেওয়াইসি সংক্রান্ত কাজ করিয়ে নিতে। যেহেতু সময়সীমা দুই দফায় বাড়ল, তাই গ্রাহকদের অনেকেই ঢিলেমি দেখাচ্ছেন আধার কার্ডের মাধ্যমে গ্রাহকের পরিচয় যাচাই করার বাধ্যতামূলক এই প্রক্রিয়া নিয়ে।
তবে ই-কেওয়াইসির চেয়েও এই মুহূর্তে বড় হয়ে উঠেছে নাম পরিবর্তন অথবা কারও মৃত্যুতে পরিবারের কোনও সদস্যর নামে সেই সংযোগ রাখার আবেদনে ঢিলেমি। যা আবশ্যিক বলেই জানিয়ে দিয়েছে সংস্থাগুলি। তবে ডিস্ট্রিবিউটরদের আক্ষেপ, কেন্দ্র যদি সময়সীমা নিয়ে কড়া অবস্থান নিত তাহলে হয়তো গ্রাহকরা বেশি তৎপর হতেন দ্রুত কেওয়াইসি সংক্রান্ত কাজ করিয়ে নিতে। যেহেতু সময়সীমা দুই দফায় বাড়ল, তাই গ্রাহকদের অনেকেই ঢিলেমি দেখাচ্ছেন আধার কার্ডের মাধ্যমে গ্রাহকের পরিচয় যাচাই করার বাধ্যতামূলক এই প্রক্রিয়া নিয়ে। অথচ এটি না করালে গ্যাসের ভরতুকি পেতে সমস্যা হতে পারে বা সিলিন্ডার ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সময় রয়েছে।না হলে সিলিন্ডার বুকিংয়ে বাধা আসতে পারে। বাড়তি দামেও কিনতে হতে পারে এই জ্বালানি।
গ্যাস সংস্থাগুলির ডিস্ট্রিবিউটরদের এক কর্তা বলেন, “৯৬৮ টাকার জায়গায় যদি প্রাথমিকভাবে নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কেওয়াইসি না করানো গ্রাহকদের গ্যাস বুকিংয়ে ১৪০০ টাকা নেওয়া হত অন্তত একবার, তা হলে গ্রাহকদের পকেটে টান পড়ত এবং টনক নড়ত। কিন্তু বারবার সময়সীমা বাড়ানোয় অনেকেই ঢিলেমি দেখাচ্ছেন।” তবে নাম পরিবর্তন, পরিবারের কোনও মৃত সদস্যর নামে থাকা সংযোগ অন্য সদস্যর নামে করানোর জন্যও লাইন পড়ছে ডিলারদের কাছে। এক্ষেত্রে বাবা মৃত হলে মায়ের নামে আবেদন করলেই তা গ্রাহ্য হবে। বাবা এবং মা না থাকলে, তাঁদের কারও নামে থাকা সংযোগ ছেলে বা মেয়ের নামে করানো যাবে। তবে একাধিক সন্তান থাকলে আবেদনকারী ছাড়া বাকিদের নো অবজেকশন লাগবে। যা অতি সরল প্রক্রিয়া।
গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরদের সংগঠনের কর্তা বিজন বিশ্বাস বলেছেন, ‘‘আমরা চাই, প্রত্যেক গ্রাহক ন্যায্যমূল্যে গ্যাস সিলিন্ডার পান। তার জন্য কেওয়াইসি জমা দিন। যা নিজে বাড়িতে বসে অ্যাপ থেকে করতে পারেন অথবা সরবরাহকারী সংস্থার অফিসে এসে কর্মীরাই তাঁদের সাহায্য করবেন।”
কিন্তু অনেকেই মনে করছেন, সেই সংযোগ বাতিল হয়ে যাবে, তাই ভয়ে ডিলারদের কাছে যাচ্ছেন না। গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরদের সংগঠনের কর্তা বিজন বিশ্বাস বলেছেন, ‘‘আমরা চাই, প্রত্যেক গ্রাহক ন্যায্যমূল্যে গ্যাস সিলিন্ডার পান। তার জন্য কেওয়াইসি জমা দিন। যা নিজে বাড়িতে বসে অ্যাপ থেকে করতে পারেন অথবা সরবরাহকারী সংস্থার অফিসে এসে কর্মীরাই তাঁদের সাহায্য করবেন।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
Exclusive: বিয়ের পিঁড়িতে মিমি চক্রবর্তী! কাকে জীবনসঙ্গী বাছছেন টলি নায়িকা?
-
মোবাইলে নেটওয়ার্কের সমস্যা, টেলিকম কর্মীকে ধরে টাওয়ারে বেঁধে রাখল গ্রামবাসী!
-
নজরে উপনির্বাচন! রেজিনগর-নন্দীগ্রামে প্রার্থী ঘোষণা কংগ্রেসের
-
আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে বারাকপুরে বিজেপি নেতার বাড়ির সামনে রেইকি ৩ যুবকের! পুলিশের জালে ১
-
রাজ্যজুড়ে সক্রিয় ভুয়ো চিকিৎসক চক্র! ২ চিকিৎসককে কাঠগড়ায় তুলে স্বাস্থ্যদপ্তরে চিঠি