Droupadi Murmu

রোজার মাস, যাওয়া সম্ভব নয়! রাষ্ট্রপতির ব্রেকফাস্টের আমন্ত্রণ ফেরাল তৃণমূল

এর আগে দু'বার রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎ চেয়েও পায়নি তৃণমূল। প্রথমে গত সপ্তাহে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছিল তৃণমূলের তরফে। কিন্তু তখন সময় দেননি রাষ্ট্রপতি। দিন দুই আগে ফের চিঠি দেওয়া হয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৪, ২০২৬, ১৯:৫২

options
link
রোজার মাস, যাওয়া সম্ভব নয়! রাষ্ট্রপতির ব্রেকফাস্টের আমন্ত্রণ ফেরাল তৃণমূল
রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ফাইল ছবি।

তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে দেখা করার জন্য সময় দিতে পারেননি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Droupadi Murmu)। দু’বার চিঠি দিয়েও রাষ্ট্রপতির কাছে সময় মেলেনি। অথচ একই সময় আগামী সোমবার তৃণমূলে সাংসদদের প্রাতঃরাশে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন তিনি। যদিও তৃণমূল সূত্রের খবর, ওই দিন দলের কেউই রাষ্ট্রপতি ভবনে যেতে পারবেন না।

Advertisement

কারণ, দলের একাধিক সাংসদের রমজানের রোজা চলছে। তাঁদের বাদ দিয়ে অন্যদের যাওয়াকে দল উপযুক্ত মনে করছে না। তৃণমূলের রাজ্যসভার মুখ্য সচেতক নাদিমূল হক ইতিমধ্যেই রাষ্ট্রপতিকে চিঠি লিখে বিষয়টি জানিয়েছেন। চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেছেন, রমজান চলার কারণে তাঁর পক্ষে প্রাতঃরাশের আমন্ত্রণে যোগ দেওয়া সম্ভব নয়। একইসঙ্গে ঈদের পরে সময় দেওয়া হলে তিনি সাক্ষাৎ করার আশা প্রকাশ করেছেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আদিবাসী সমাজের উন্নয়নে রাজ্যে কী কী পদক্ষেপ করেছে তৃণমূল সরকার, যাবতীয় তথ্য তুলে ধরার জন্য রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে দেখা করতে চেয়ে তৃণমূলের প্রতিনিধিদল ইতিমধ্যেই দু’বার চিঠি দিয়েছে। প্রথমে গত সপ্তাহে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছিল তৃণমূলের তরফে। কিন্তু তখন সময় দেননি রাষ্ট্রপতি। দিন দুই আগে ফের চিঠি দেওয়া হয়। তাতেও সময় দেওয়া হয়নি। উলটে প্রাতরাশে সাংসদদের আমন্ত্রণ করেন রাষ্ট্রপতি। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, বাংলা সফরে বিতর্কের জেরেই রাষ্ট্রপতি তৃণমূল সাংসদদের সময় দেননি।

Advertisement

উল্লেখ্য, গত শনিবার উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে আদিবাসী সম্মেলনে আমন্ত্রিত ছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। বিধাননগরের বদলে বাগডোগরা বিমানবন্দরের অদূরে গোঁসাইপুরে সেই সভার স্থল নির্ধারিত হয়। সেখানেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, “ওখানে (বিধাননগরে) অনুষ্ঠান হলে ভালো হতো। ওখানে অনেক জায়গা, অনেক মানুষ আসতে পারতেন। কিন্তু রাজ্য প্রশাসন কেন জানি না, এখানে সভার অনুমতি দেয়নি। আমিও বাংলারই মেয়ে। বাংলার মানুষকে আমি ভালোবাসি। মমতা বোধহয় রাগ করেছেন, তাই আমাকে স্বাগত জানাতে তিনি নিজে আসেননি, কোনও মন্ত্রীও আসেননি।” এই মন্তব্যের পরই দেশের রাজনীতিতে ঝড় ওঠে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিজেপি তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দাগে। পালটা বিজেপির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপতির চেয়ারকে ব্যবহার করে রাজনীতির অভিযোগ তোলে তৃণমূল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন