Uttar Pradesh

‘আমি আমনের, ছুঁলেই ৩৫ টুকরো করব’, ফুলশয্যার খাটে ছুরি হাতে স্বামীকে শাসালেন স্ত্রী!

এটাই ছিল স্বামী নিষাদের সঙ্গে তরুণীর প্রথম বাক্য়ালাপ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৫, ২০২৫, ১৭:৩০

options
link
‘আমি আমনের, ছুঁলেই ৩৫ টুকরো করব’, ফুলশয্যার খাটে ছুরি হাতে স্বামীকে শাসালেন স্ত্রী!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সোনম কাণ্ডের পর একাধিক ঘটনায় প্রেমিকের সঙ্গে সদ্যবিবাহিত স্ত্রীর পালিয়ে যাওয়ায় হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছেন স্বামী। এবার তাঁদের আতঙ্ক বাড়ানো আরও এক ঘটনা প্রকাশ্যে। বিয়ের রাতে ফুলশয্যার খাটে বসে স্বামীকে ছুরি হাতে শাসালেন নববধূ। জানিয়ে দিলেন, “আমি আমনের, ছুঁলেই ৩৫ টুকরো করব”। এমনকী এটাই ছিল স্বামী নিষাদের প্রতি বছর ছাব্বিশের তরুণী সিতারার প্রথম বাক্য়ালাপ। এরপর বিয়ে টিকল?

Advertisement

ঘটনাটি উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজের। গত ২৯ এপ্রিল ক্যাপটেন রাম আসারে নিষাদ বিয়ে করেন সিতারাকে। প্রথা মতো পরদিন স্বামীর বাড়িতে যান নববধূ। ২ মে নিষাদের বাড়িতে ছিল এলাহি খাওয়াদাওয়া এবং গানবাজনার অনুষ্ঠান। কিন্তু আমন্ত্রিতরা যখন হইহই আনন্দে মেতে তখন প্রাণে আতঙ্ক নিয়ে বাড়িতে বসেছিলেন নিষাদ। কারণ ফুলশয্যার রাতেই তাঁকে খুনের হুমকি দিয়েছেন স্ত্রী সিতারা। নিষাদ জানান, “আমি ঘরে ঢুকে দেখি হাতে ছুরি নিয়ে বিছানায় চুপ করে বসে আছে ও। আমাকে স্পষ্ট বলে, ছোঁবে না তুমি। আমি আমনের সম্পত্তি। যদি চেষ্টা করো তবে তোমাকে কেটে ৩৫ টুকরো করব।” নিষাদ আরও বলেন, “এমন কথায় হতবাক হয়ে যাই আমি। গোটা রাত সোফায় বসেছিলাম। চোখের পাতা এক করতে পারিনি। হাতে ছুরি নিয়ে বিছানায় বসে ছিল ও। “

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পর পর তিন রাত এভাবেই কাটে নিষাদ-সিতারার। নিষাদ বলেন, “মাঝরাতে ঘুমোত ও। আমি জেগে বসে থাকতাম। ভয় পেতাম যদি ঘুমন্ত অবস্থায় ছুরি নিয়ে হামলা করে। খবরের কাগজ এমন ঘটনা তো দেখি। ভাবছিলাম, এবার হয়তো আমারও খবর হওয়ার পালা।” এরপর ৩ মে পরিবারকে গোটা ঘটনা জানান নিষাদ। সিতারাকে প্রশ্ন করা হলে সপাটে তিনি জবাব দেন, “আমি আমনকে ভালোবাসি। আমাকে জোরা করে বিয়ে দেওয়া হয়েছে। কেবল ওর (আমন) সঙ্গেই সংসার করতে চাই। আমার সঙ্গে রাত কাটানোর অধিকার কেবল ওরই রয়েছে।”

Advertisement

এরপর সিতারার পরিবারকে ডাকা হয়। ২৫ মে বরপক্ষ ও কনেপক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়। উপস্থিত ছিলেন প্রতিবেশী প্রবীণরাও। চাপে পড়ে সকলের সামনে সিতারা প্রতিশ্রুতি দেন, আমনকে ভুলে যাবেন তিনি। এই বিয়ে মেনে নেবেন। যদিও আড়ালে নিষাদের উপর চাপ সৃষ্টি করতেন তরুণী। যাতে করে তাঁকে আমনের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত ৩০ মে রাতে শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে পালায় সিতারা। নিষাদের বাড়িরা লোকেরা বলছেন, ভালোই হয়েছে, আপদ বিদায় হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.