Transgender

নৃশংস! ৩ মাসের শিশুকন্যাকে ধর্ষণ করে খুন রূপান্তরকামীর, মৃত্যুদণ্ড মুম্বই আদালতের

জন্মের পর এসে শিশুর মুখ দেখে শাড়ি-টাকা চেয়েছিল ওই রূপান্তরকামী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৪, ১২:৫২

options
link
নৃশংস! ৩ মাসের শিশুকন্যাকে ধর্ষণ করে খুন রূপান্তরকামীর, মৃত্যুদণ্ড মুম্বই আদালতের
প্রতীকী ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাত্র তিন মাসের শিশুকন্যাকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত ২৪ বছরের রূপান্তরকামী। মঙ্গলবার সেই মামলায় আসামীকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিল মুম্বই আদালত। এই ঘটনাকে ‘বিরলের মধ্যে বিরলতম’ বলে আখ্যা দিয়ে এমন রায় দিয়েছে আদালত।

Advertisement

ঘটনা ২০২১ সালের জুলাই মাসের। একরত্তির জন্মের পরই তাদের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছিল ওই রূপান্তরকামী। সদ্যোজাতর মুখ দেখে পরিবারের কাছ থেকে একটা শাড়ি, ১১০০ টাকা এবং নারকেল চেয়েছিল। কিন্তু সেই করোনা অতিমারীর দাপটে শিশুকন্যাকে রূপান্তরকামীর থেকে দূরেই রাখে পরিবার। তার চাহিদা পূরণ করা যায়নি। আর তারই ‘প্রতিশোধ’ নিতে এই নৃশংস কাণ্ড ঘটায় অভিযুক্ত। তিন মাসের ওই শিশুকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের পর খুন করে সে। গোটা এলাকায় ভয়ের পরিবেশ তৈরি করাই উদ্দেশ্য ছিল তার। সংসারে সন্তান হলে ভবিষ্যতে কেউ যাতে টাকা কিংবা শাড়ি না দেওয়ার সাহস না দেখায়! সেই শিক্ষা দিতেই এই ঘটনা ঘটায় সে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: হিমাচলে শুরু ‘নাটক’, ইস্তফা মন্ত্রীর, বহিষ্কৃত ১৫ বিধায়ক]

পকসো আইনে রূপান্তরকামীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। পকসো মামলার জন্য নিযুক্ত বিশেষ বিচারক জানান, এমন নৃশংস, ঘৃণ্য অপরাধ সমাজে বিরাট প্রভাব ফেলেছে। যার ক্ষতিপূরণ হয় না। বিচারক আরও বলেন, “সমাজে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল একজন শিশুকন্যার নিরাপত্তা। এমন বর্বর এবং অমানকিব অপরাধ বিরলের মধ্যে বিরলতম।”

Advertisement

জানা গিয়েছে, শিশুকে খুনের পর নির্জন এলাকায় তার দেহ পুঁতে দিয়েছিল ওই রূপান্তরকামী। সেই সঙ্গে সমস্ত প্রমাণও লোপাটের চেষ্টা করে সে। কিন্তু শেষমেশ পুলিশের জালে ধরা পড়ে যায়। তবে গ্রেপ্তারির পরও নিজের অপরাধের জন্য কোনও আক্ষেপ নেই দোষীর চোখেমুখে।

[আরও পড়ুন: গুজরাট উপকূলে এবার উদ্ধার সাড়ে তিন কুইন্টাল মাদক! নৌসেনার জালে পাঁচ পাকিস্তানি]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.