সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ব্লেড দিয়ে পেট কেটে সন্তানের জন্ম দিলেন এক উপজাতি মহিলা। সম্প্রতি এমন ঘটনা ঘটেছে অন্ধ্র প্রদেশের পূর্ব গোদাবরী জেলায়।
জানা গিয়েছে, ওই মহিলা কে লক্ষ্মী এবং তাঁর স্বামী সীতান্না দোরা রওনা দিয়েছিলেন সরকারি হাসপাতালের দিকে। তাঁদের গ্রাম কিন্তুকুরু থেকে রামপাচোদাভরমের সরকারি হাসপাতালের দূরত্ব ১০ কিলোমিটার। এই ১০ কিলোমিটার অতিক্রম করতে হয় পাহাড়ি পথে। বড় সড়কে না পৌঁছনো পর্যন্ত মেলে না অ্যাম্বুল্যান্স বা অন্য কোনও যানবাহন। উপায় না দেখে কষ্ট হলেও ওই পথেই হেঁটে আসছিলেন তাঁরা।
কিন্তু একসময় আর থাকতে পারেননি লক্ষ্মী। তাঁর প্রসবযন্ত্রণা শুরু হয়ে যায়। তীব্র থেকে তীব্রতর হয়ে পড়ে ব্যথা। তিনি বুঝতে পারেন প্রসবের সময় আসন্ন। উপায় না দেখে তখন পথের মধ্যেই ব্লেড দিয়ে নিজের পেট কাটতে বাধ্য হন তিনি। এবং স্বামীর সহায়তায় জন্ম দেন সন্তানের। ঘটনার কিছুক্ষণ পরে আবার কোনওমতে হাঁটতে হাঁটতেই বড় সড়ক পর্যন্ত পৌঁছন তাঁরা। সেখানে রক্তস্নাত লক্ষ্মী এবং তাঁর সদ্যোজাতকে দেখে চাঞ্চল্য শুরু হয়ে যায় লোকজনের মধ্যে।
অতঃপর তাঁরাই দ্রুত অ্যাম্বুল্যান্স আনিয়ে রামপাচোদাভরমের হাসপাতালে নিয়ে যান দম্পতিকে। সেখানে চিকিৎসকরা প্রাথমিক চিকিৎসার পরে জানান- সন্তান এবং মা দুটজনেই সুস্থ আছেন! আশঙ্কা থাকলেও কারওরই প্রাণহানি হয়নি। তবে সরকারি হাসপাতালে দিন কয়েক থেকে চিকিৎসার পরিষেবা নেননি ওই দম্পতি। চিকিৎসকরা বারণ করলেও তাঁরা সন্তান নিয়ে একদিনের মধ্যেই চলে যান হাসপাতাল ছেড়ে নিজেদের গ্রামে।
ঘটনায় রীতিমতো অবাক রামপাচোদাভরমের সরকারি হাসপাতালের প্রধান জানিয়েছেন, এই অঞ্চলে অনেক উপজাতি মহিলাই এরকম ভাবে প্রসব করেন পথেঘাটে। কেন না, তাঁদের গ্রাম থেকে হাসপাতালের দূরত্ব অনেকটাই! কিন্তু এই ঘটনা হার মানিয়েছে সব কিছুকেই। ব্লেড দিয়ে এভাবে নিজের পেট কাটার ঝুঁকি কে-ই বা নেবেন! কিন্তু পঞ্চমবারের গর্ভবতী লক্ষ্মী কোনও কিছুই তোয়াক্কা করেননি!
সর্বশেষ খবর
-
সেদ্ধ করতে গিয়ে চিড় ধরছে ডিমের খোলায়, সমাধান করবে একটিমাত্র পাতিলেবু!
-
অ্যান্টিবায়োটিক আর আগের মতো কাজ করছে না! সাধারণ সংক্রমণও কেন হয়ে উঠছে ভয়ংকর?
-
বিদ্যুৎ বিভ্রাটে পচছে ফ্রিজারে রাখা মাংস-সবজি, এইভাবে ১ টাকার কয়েন রাখলেই কেল্লাফতে!
-
কেতুগ্রামে তৃণমূলের কার্যালয়ে রাজকীয় ঘর, রয়েছে খাট-বিছানা! উদ্ধার বিপুল পরিমাণ সরকারি ত্রাণ
-
বাতাসে এখনও মৃত্যুর গন্ধ! ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা পেরোল ১৭০০