মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ফোন করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতি, হরমুজ প্রণালীকে স্বাভাবিক রাখা-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। একথা জানালেন ভারতের মার্কিন রাষ্ট্রদূত সের্গিও গোর। মোদি নিজেও ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনের কথা জানান এক্স হ্যান্ডেলে।
উল্লেখ্য, গতকালই ইরানের সঙ্গে ‘ইতিবাচক কথা হয়েছে’ বলে জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। যার পরে পাঁচ দিনের ‘সংঘর্ষবিরতি’ ঘোষণা করেন তিনি। পরদিনই মোদির সঙ্গে ফোনালাপ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। কারণ কূটনৈতিক ভাবে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যবর্তী অবস্থানে রয়েছে ভারত। সংঘর্ষ জড়িত তিন দেশের মধ্যস্থতার জন্য উপযুক্ত তৃতীয়পক্ষ।
আরও পড়ুন:
President Donald Trump just spoke with Prime Minister Modi. They discussed the ongoing situation in the Middle East, including the importance of keeping the Strait of Hormuz open.
Advertisement— Ambassador Sergio Gor (@USAmbIndia) March 24, 2026
ব্রিটিশ দৈনিক ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের দাবি, ইরানের সঙ্গে আমেরিকা ও ইজরায়েলের সংঘাত থামাতে মধ্যস্থতায় আগ্রহ দেখাচ্ছে পাকিস্তান। এর মধ্যেই মোদির সঙ্গে ট্রাম্পের ফোনালাপ তাৎপর্যপূর্ণ। উল্লেখ্য, যুদ্ধের মধ্যে এই প্রথম মোদি-ট্রাম্প কথা হল। মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পাশাপাশি মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা হয়েছে বলে জানালেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ফোন করেছিলেন। পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।” ট্রাম্পকে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করে মোদি লিখেছেন, “ভারত যত দ্রুত সম্ভব উত্তেজনা হ্রাস এবং শান্তি পুনরুদ্ধারের পক্ষে। হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত, সুরক্ষিত এবং সুগম্য রাখা গোটা বিশ্বের জন্য গুরত্বপূর্ণ। শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রচেষ্টার জন্য আমরা সব সময় পাশে রয়েছি।”
Received a call from President Trump and had a useful exchange of views on the situation in West Asia. India supports de-escalation and restoration of peace at the earliest. Ensuring that the Strait of Hormuz remains open, secure and accessible is essential for the whole world.…
— Narendra Modi (@narendramodi) March 24, 2026
সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ইরানের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। আপাতত পাঁচ দিন দেশটির বিদ্যুৎকেন্দ্র হামলা চালানো হবে না। প্রশ্ন ওঠে, বিশ্বজুড়ে জ্বালানির সংকটের চাপে এতদিনে কি সংঘর্ষবিরতির পথে হাঁটতে চলেছে আমেরিকা ও ইজরায়েল? এদিকে ওয়াশিংটন পিছ হটতেই তেহরানের আস্ফালন করে— ‘হুমকিতেই কাজ হয়েছে’।
গতকাল ট্রুথ সোশালে একটি পোস্টে ট্রাম্প জানান, ওয়াশিংটন-তেহরানের মধ্যে ইতিবাচক কথা হয়েছে। তিনি মার্কিন সেনাকে নির্দেশ দিয়েছেন, “আগামী পাঁচদিনের জন্য ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জ্বালানি অবকাঠামোয় সামরিক হামলা স্থগিত থাকবে।” মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, ওয়াশিংটন-তেহরান ইতিবাচক আলোচনার পরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যোগ করেন, পরবর্তী ক্ষেত্রে যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি উভয়পক্ষের আলোচনার উপরে নির্ভর করবে। এখন গোটা বিশ্বের প্রশ্ন— মারণ যুদ্ধ কি তবে শেষ হচ্ছে?
সর্বশেষ খবর
-
‘বন্ধুর ঘর ভেঙেছি, আমার নাকি ছেঁড়া’, গোমাংস কাণ্ডের পর আত্মহত্যার চেষ্টা করেন সায়ক!
-
বৃষ্টির ছিটেফোঁটা নেই! জুলাই মাসে নিশ্চিন্তে ঘুরে আসুন দেশের এই ৬ অপরূপ স্থানে
-
গ্রিন সিটি হবে বর্ধমান, বিগত সরকারের আবর্জনা সাফ করতে কোদাল-ঝাঁটা হাতে পথে মন্ত্রী
-
মাঝআকাশে যান্ত্রিক গোলযোগ, পূর্বে ফ্রান্সে মুখ থুবড়ে পড়ল বিমান, মৃত অন্তত ১১
-
বিশ্বকাপে লজ্জার বিদায়ের শাস্তি! বাতিল চার্টার্ড বিমান, নিজেদের টাকায় দেশে ফিরছেন ফুটবলাররা