Umar Khalid

জামিনই দস্তুর, সুপ্রিম পর্যবেক্ষণের পরও জেলমুক্তি হল না উমর খালিদের

রাজধানীর মাটিতে সিএএ এবং এনআরসি বিরোধী আন্দোলন চলাকালীন ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে দক্ষিণ-পূর্ব দিল্লির হিংসায় মৃত্যু হয় ৫৩ জনের। এই ঘটনায় মূল ষড়যন্ত্রকারী হিসাবে উঠে আসে উমরের নাম।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২০, ২০২৬, ১৫:০৫

options
link
জামিনই দস্তুর, সুপ্রিম পর্যবেক্ষণের পরও জেলমুক্তি হল না উমর খালিদের
২০২০ থেকে জেলে বন্দি রয়েছেন উমর। ফাইল ছবি।

জামিনই দস্তুর, কাউকে দিনের পর দিন জেলে আটকে রাখা ব্যতিক্রম। আর পাঁচটা ফৌজদারি মামলার মতো ইউএপিএ ধারার ক্ষেত্রেও এই নিয়ম কার্যকর। একদিন আগেই সুপ্রিম কোর্ট ইউএপিএ মামলায় তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেছে। কিন্তু সেই পর্যবেক্ষণের কয়েক ঘণ্টা পরই উলটো পথে হেঁটে রায় দিল্লির একটি আদালতের। দিল্লি হিংসা মামলায় আরও একবার খারিজ হয়ে গেল ছাত্রনেতা উমর খালিদের জামিন (Umar Khalid)।

Advertisement

উমরের আবেদন ছিল, তাঁর মা অসুস্থ। তাঁকে দেখভাল করার জন্য বাড়িতে তেমন কেউ নেই। তাই তাঁর জামিনের প্রয়োজন। তাঁর কাকার মৃত্যু-পরবর্তী আচার-অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার কথাও তাঁর আবেদনে ছিল। কিন্তু দিল্লির ওই আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। আদালতের বক্তব্য, “এই মর্মে কোনওভাবেই জামিন দেওয়া যায় না।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের দিল্লি দাঙ্গার ঘটনায় UAPA মামলায় অভিযুক্ত উমর খালিদ, শার্জিল ইমাম-সহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে দিল্লি পুলিশ। তার পর থেকে একাধিকবার জামিনের আবেদন জানিয়েছিলেন জেএনইউ-এর এই প্রাক্তন ছাত্রনেতা। প্রতিবারই তা খারিজ হয়ে যায়। মাঝে বার কয়েক প্যারোল দিলেও স্থায়ী জামিন পাননি উমর খালিদ। চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি দিল্লি গোষ্ঠীহিংসার ঘটনায় ইউএপিএ মামলায় অভিযুক্ত উমর এবং শারজিলের জামিন আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। তাৎপর্যপূর্ণভাবে সোমবার নিজেরাই সেই রায়ের সমালোচনা করেছে শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্ট জানায়, এই ধরনের মামলায় জামিন পাওয়াই দস্তুর। কিন্তু তারপরও জামিন পেলেন না উমর।

Advertisement

রাজধানীর মাটিতে সিএএ এবং এনআরসি বিরোধী আন্দোলন চলাকালীন ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে দক্ষিণ-পূর্ব দিল্লির হিংসায় মৃত্যু হয় ৫৩ জনের। এই ঘটনায় মূল ষড়যন্ত্রকারী হিসাবে উঠে আসে উমরের নাম। উস্কানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে ওই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে তাঁকে গ্রেপ্তার করে দিল্লি পুলিশ। তার বিরুদ্ধে দায়ের হয় রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা। যদিও উমর খালিদের গ্রেপ্তারির বিষয়টি নিয়ে পুলিশের ভূমিকায় প্রশ্ন উঠেছিল। অভিযোগ ওঠে, সিএএ-এনআরসি বিরোধী স্বর দমনেই উমরকে জেলবন্দি করা হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন