Hotels

অবিবাহিত হলে আর মিলবে না ঘর! নতুন বছর থেকে বুকিংয়ে নয়া নিয়ম আনল OYO

উত্তরপ্রদেশের মিরাটে আপাতত চালু হল এই নিয়ম। ধীরে ধীরে অন্যান্য শহরেও কড়াকড়ি হতে চলেছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৫, ২০২৫, ১৪:০৭

options
link
অবিবাহিত হলে আর মিলবে না ঘর! নতুন বছর থেকে বুকিংয়ে নয়া নিয়ম আনল OYO

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রেমিক বা প্রেমিকাকে নিয়ে রাত কাটাতে হোটেলে গেলে আর ঘর মিলবে না। নতুন বছরে নয়া নিয়মে এমনই কড়াকড়ির পথে হাঁটল OYO. সর্বভারতীয় স্তরে এই জনপ্রিয় হোটেল বুকিং সাইটের নিয়ম বদল হচ্ছে। বলা হয়েছে, অবিবাহিত যুগলদের আর ঘর দেওয়া হবে না। বুকিংয়ের সময় দেখাতে হবে সম্পর্কের প্রমাণপত্র। এই মর্মে নির্দেশিকা পৌঁছেছে সংস্থার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধা হোটেলগুলিতে। আপাতত উত্তরপ্রদেশ মিরাট থেকে চালু হচ্ছে এই নিয়ম। পরবর্তীতে তা অন্যান্য শহরেও চালুর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট সংস্থা। এই খবরে স্বভাবতই কিছুটা মূহ্যমান তরুণ প্রজন্মের যুগলরা।

Advertisement

বিভিন্ন শহরে OYO-র অধীনে ছোট-বড়-মাঝারি বেশ কয়েকটি হোটেল রয়েছে। যেখানে এতদিন যে কোনও যুগলের জন্য দরজা উন্মুক্ত থাকত। অনলাইন বা অফলাইনে বুকিংয়ের মাধ্যমে প্রেমিক বা প্রেমিকাকে নিয়ে সেখানে চেক-ইন করতে পারতেন। তবে ২০২৫ সাল থেকে এই নিয়মে বদল এল। OYO-র নতুন নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, অনলাইনে রুম বুকিংয়ের সময়েই সম্পর্কের প্রমাণপত্র দাখিল করতে হবে ওয়েবসাইটে। অফলাইনের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম। হোটেলগুলিকেও বলা হয়েছে, নতুন বছরে যাঁরা OYO-র ঘর বুক করবেন, নতুন নিয়ম মেনেই বুকিং গ্রহণ করতে হবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কিন্তু কেন আচমকা এই নিয়ম বদল? OYO-র বক্তব্য, অবিবাহিতদের জন্য হোটেলের দরজা হাট করে খুলে দেওয়া নিয়ে সমাজের বিভিন্ন স্তরে আপত্তি উঠেছে। মিরাট শহরবাসীর একটা বড় অংশই এর বিরোধিতা করে সংস্থাকে অভিযোগ জানিয়েছে। তাঁদের দাবি, অবিবাহিতদের এভাবে হোটেল ভাড়া দেওয়ার বিষয়টি তাঁরা ভালোভাবে গ্রহণ করছেন না। সেই অভিযোগকে গুরুত্ব দিয়ে নিয়ম বদলের পথে হাঁটল সংস্থা। OYO-র উত্তরাঞ্চলের প্রধান পবন শর্মা জানিয়েছেন, আমরা প্রত্যেক নাগরিকের সুরক্ষা, সম্মান রক্ষায় বদ্ধপরিকর। যেমন সকলের স্বাধীনতা রক্ষা করা আমাদের কাজ, তেমনই কারও ভাবাবেগে আঘাত না লাগে, সেই দায়িত্বও আমাদের। তাই এনিয়ে সমাজের কোনও স্তরে কোনও আপত্তি উঠলে, তা গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখতে হবে। আমরা নিজেদের নীতি নিয়ে আলোচনা করি, বারবার সংস্কারও করে থাকি। এটা তারই অংশ।”

Advertisement

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন