Air India Crash

আগে থেকেই যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল বিমানে! এয়ার ইন্ডিয়ার দুর্ঘটনায় বিস্ফোরক মার্কিন তদন্তকারী সংস্থা

মার্কিন সংস্থার দাবি যদি সত্যি হয় তবে এটা স্পষ্ট যে সব জেনেশুনেই তদন্তের মোড় ঘোরাতে পাইলটের ভুলের দিকে আঙুল তোলা হয়েছিল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৫, ২০২৬, ১৯:০৯

options
link
আগে থেকেই যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল বিমানে! এয়ার ইন্ডিয়ার দুর্ঘটনায় বিস্ফোরক মার্কিন তদন্তকারী সংস্থা
এয়ার ইন্ডিয়ার দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমান। ফাইল ছবি

আহমেদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান দুর্ঘটনা (Air India crash) ও ২৬০ জনের মৃত্যুর তদন্তে সামনে এল বিস্ফোরক তথ্য। আমেরিকার এক তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ওই দুর্ঘটনা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তাদের দেওয়াই হয়নি। শুধু তাই নয় তদন্তে নেমে ওই সংস্থার আধিকারিকরা জানতে পেরেছেন, পাইলটের ভুল নয়, আগে থেকেই বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার জেরেই সেদিন দুর্ঘটনা ঘটে।

Advertisement

মার্কিন সংস্থা এভিয়েশন সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রধান এড পিয়ারশন বলেন, বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার সম্পর্কে একাধিক গোপন তথ্য তাদের হাতে এসেছে। যেখানে স্পষ্ট যে ওই বিমানটিতে আগে থেকেই সমস্যা ছিল। দীর্ঘদিন ধরে শর্ট সার্কিট, ধোঁয়া এবং বিমানের তারে সমস্যা দেখা যাচ্ছিল। সমস্যার জেরে বিমানটিকে বেশ কয়েকবার সারাইয়ের জন্য গ্রাউন্ডেড করা হয়। এছাড়া পি-১০০ পাওয়ার প্যানেল যা বিমানের ইঞ্জিনে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে সেটিও প্রতিস্থাপন করা হয়। শুধু তাই নয়, বিমান্টির ডিজাইন ও সফটওয়ার সংক্রান্ত নিরাপত্তারও প্রয়োজন ছিল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বিমানটিতে আগে থেকেই সমস্যা ছিল। দীর্ঘদিন ধরে শর্ট সার্কিট, ধোঁয়া এবং বিমানের তারে সমস্যা দেখা যাচ্ছিল। সমস্যার জেরে বিমানটিকে বেশ কয়েকবার সারাইয়ের জন্য গ্রাউন্ডেড করা হয়।

আহমেদাবাদে বিমান দুর্ঘটনার পর এর তদন্তে নেমেছিল অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের অধীনস্থ তদন্তকারী সংস্থা এয়ারক্রাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (AAIB)। তবে অভিযোগ তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মার্কিন ওই তদন্তকারী সংস্থার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া হয়নি। যার জেরে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়ে। শুধু তাই নয়, মার্কিন সংস্থার দাবি যদি সত্যি হয় তবে এটা স্পষ্ট যে সব জেনেশুনেই তদন্তের মোড় ঘোরাতে পাইলটের ভুলের দিকে আঙুল তোলা হয়েছিল।

Advertisement

উল্লেখ্য, গত বছর ১২ জুন আহমেদাবাদ থেকে লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বোয়িং ৭৮৭-৮ বিমান আকাশে ওড়ার কয়েক সেকেন্ড পরই মেঘানিনগরের বিজে মেডিক্যাল কলেজের ক্যান্টিনের উপর ভেঙে পড়ে। দুর্ঘটনার জেরে মৃত্যু হয় ২৬০ জনের বেশি মানুষের। তাৎপর্যপূর্ণভাবে আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনার যে প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট এয়ারক্রাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো দিয়েছিল, তাতে দুর্ঘটনার দায় পাইলটের উপরে চাপানো হয়।

ওই রিপোর্টে বলা হয়েছিল, আহমেদাবাদ দুর্ঘটনার আগের মুহূর্তে বিমানটি যখন উপরে ওঠার জন্য গতি পাচ্ছে, তখনই দু’টি ইঞ্জিনের জ্বালানি ‘কাটঅফ’ মোডে চলে যায়। ইঞ্জিনে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। ইঞ্জিন বন্ধের ঠিক আগের মুহূর্তে একজন পাইলট অপরজনকে বলেন, ‘ইঞ্জিন বন্ধ করলে কেন?’ অপর পাইলট জবাব দেন, ‘আমি কিছু বন্ধ করিনি।’ যদিও পাইলটদের সংগঠনের দাবি ছিল, ওই রিপোর্ট অসন্তুষ্ট। প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্টে বহু তথ্য গোপন করা হয়েছে। জ্বালানি সুইচে সমস্যা ও যান্ত্রিক ত্রুটির ঘটনাগুলি এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। ফলে ফলে আদালতের নজরদারিতে নিরপেক্ষভাবে দুর্ঘটনার তদন্ত হোক।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.