PM Narendra Modi-JD Vance

শিয়রে শুল্কের খাঁড়া, অশনি সংকেতের মাঝেই মোদিকে ফোন ট্রাম্পের ডেপুটি ভ্যান্সের

মোদি-ভ্যান্সের ফোনালাপের সময়টা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, শুল্কের কাঁটায় ভারত-মার্কিন বাণিজ্য সম্পর্ক ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। শুক্রবার মার্কিন সেনেটে পাশ হয়েছে নয়া বিল। সেখানে বলা হয়েছে, যে সব দেশ রাশিয়া থেকে তেল কিংবা অন্য কোনও জ্বালানি কিনছে তারা আসলে পরোক্ষে ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলাকেই সমর্থন করছে। এই দেশগুলির উপর ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করতে পারবে আমেরিকা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৯, ২০২৬, ১৬:৪০

options
link
শিয়রে শুল্কের খাঁড়া, অশনি সংকেতের মাঝেই মোদিকে ফোন ট্রাম্পের ডেপুটি ভ্যান্সের

যুদ্ধের আগুনে জ্বলছে মধ্যপ্রাচ্য। তার মধ্যেই রুশ তেল কেনার ‘শাস্তি’ হিসাবে ভারতের উপর ১০০ শতাংশ শুল্ক চাপানোর তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছে আমেরিকা। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে ফোনে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সূত্রের খবর, ভারত ও আমেরিকার কৌশলগত অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণ নিয়ে দু’জনের আলোচনা হয়েছে।

Advertisement

ফোনালাপের বিষয়টি সমাজমাধ্যমে নিজেই জানিয়েছেন মোদি। তিনি বলেন, “মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আমার ফোনে কথা হয়েছে। বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র নিয়ে আমাদের আলোচনাও হয়েছে। কীভাবে ভারত-মার্কিন কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও জোরদার করা যায়, তা নিয়েও কথা হয়েছে।” জানা গিয়েছে, মোদি-ভ্যান্সের আলোচনায় বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং বিরল খনিজের মতো বিষয়গুলিও উঠে এসেছে। এছাড়া কয়েকদিন আগেই পুত্র সন্তানের জন্ম দিয়েছেন ভ্যান্সের স্ত্রী উষা ভ্যান্স। কথোপকথনের সময় মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং তার স্ত্রীকে অভিনন্দনও জানিয়েছেন মোদি।

Advertisement

তবে মোদি-ভ্যান্সের ফোনালাপের সময়টা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, শুল্কের কাঁটায় ভারত-মার্কিন বাণিজ্য সম্পর্ক ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। শুক্রবার মার্কিন সেনেটে পাশ হয়েছে নয়া বিল। সেখানে বলা হয়েছে, যে সব দেশ রাশিয়া থেকে তেল কিংবা অন্য কোনও জ্বালানি কিনছে তারা আসলে পরোক্ষে ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলাকেই সমর্থন করছে। এই দেশগুলির উপর ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করতে পারবে আমেরিকা। এর ফলে কেবল ভারত বা চিন নয়, সমস্যা হতে পারে জাপান, আজারবাইজান, স্লোভাকিয়া, হাঙ্গেরির মতো দেশেরও। বিলটি এবার হাউস অফ রিপ্রেজ়েন্টেটিভে পেশ করা হবে। সেখানে পাশ হয়ে গেলে তা আইনে পরিণত করতে কেবল ট্রাম্পের স্বাক্ষর প্রয়োজন। অর্থাৎ সব মিলিয়ে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এই বিল আইনে রূপান্তরিত হতে চলেছে। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.