Varanasi

বিশ্বনাথের শহরে মাছমাংস নয়, এবার বারাণসীর বাইরে আমিষের দোকান সরানোর প্রস্তাবে সিলমোহর!

সম্প্রতি মেয়র অশোক কুমার তিওয়ারির নেতৃত্বে বারাণসী পৌরনিগম একটি বৈঠক করে। সেখানেই শহর থেকে মাছ-মাংসের দোকান সরানোর প্রস্তাবে চূড়ান্ত সিলমোহর পড়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৭, ২০২৬, ২০:৫৮

options
link
বিশ্বনাথের শহরে মাছমাংস নয়, এবার বারাণসীর বাইরে আমিষের দোকান সরানোর প্রস্তাবে সিলমোহর!
ইতিমধ্যে প্রস্তাবে সিলমোহর দিয়েছে বারাণসী পৌরনিগম।

সত্যজিৎ রায় পরিচালিত ‘জয়বাবা ফেলুনাথ’ ছবিতে ফেলুদা বলেছিল, বারাণসী হল বাঙালির সেকেন্ড হোম। একদিকে যেমন বিদ্যাচর্চা, আধ্যাত্মিক সাধনার জন্য বাঙালি কাশী বিশ্বনাথের শহরে ঠাঁই নিত, তেমনই বাঙালি বিধবাদের কাশিবাসী হওয়ার রেওয়াজ ছিল। আগের মতো বিপুল সংখ্যায় না থাকলেও মেরেকেটা এখনও কয়েক হাজার বাঙালির বাস ঐতিহাসিক এই শহরে। সেখানেই এবার মাছের দোকান থাকবে না। মাংসের দোকানও উঠে যাবে মূল শহরের বাইরে। ইতিমধ্যে এই প্রস্তাবে সিলমোহর দিয়েছে বারাণসী পৌরনিগম। শহরের মাছ-মাংসের ব্যবসায়ী এবং রসিক উপভোক্তারা শঙ্কিত।

Advertisement

সম্প্রতি মেয়র অশোক কুমার তিওয়ারির নেতৃত্বে বারাণসী পৌরনিগম একটি বৈঠক করে। সেখানে শহর থেকে মাছ-মাংসের দোকান সরানোর প্রস্তাবে চূড়ান্ত সিলমোহর পড়েছে। পৌরনিগমের শীর্ষ আধাকারিকের দাবি, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সেই কাজ শুরু হয়ে যাবে। পৌর কমিশনার হিমাংশু নাগপাল সদনকে জানান, প্রকল্পের প্রাথমিক পর্যায়ের জন্য পাঁচটি স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। বাসিন্দাদের অসুবিধা কমানোর জন্য এই স্থানগুলি শহরের বাইরে হলেও সীমানার কাছেই নির্বাচন করা হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পরিকল্পনা অনুযায়ী, বর্তমানে শহরের সীমার মধ্যে চালু থাকা মাংস ও মাছের দোকানগুলিকে রামনগর, সুজাবাদ, গণেশপুর, অবলেশপুর এবং শিবপুরের নির্দিষ্ট অঞ্চলে স্থানান্তরিত করা হবে। কর্মকর্তাদের দাবি, এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হল নগর ব্যবস্থাপনা, পরিচ্ছন্নতা এবং যান চলাচল ব্যবস্থা উন্নত করা। বারাণসী পৌর সংস্থা আধিকারিকরা মনে করেন, মাছ ও মাংসের দোকনগুলিকে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার বাইরে স্থানান্তরিত করা হলে পৌর পরিষেবা সুসংহত হবে।

Advertisement

উল্লেখ্য, খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বারাণসী শহরের সাংসদ। ইতিমধ্যে কাশী বিশ্বনাথ মন্দির এবং গঙ্গার ঘাট সংস্কার হয়েছে। শুরু হয়েছে ভোর ও সন্ধ্যার সংগঠিত আরতি। কার্যত বদলে গিয়েছে, ভারতের অন্যতম তীর্থস্থানের চেহারা। প্রাচীন কাশী কিংবা আধুনিক বারাণসী আরও বেশি করে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে পর্যটকদের জন্য। এবার বিশ্বনাথের শহরকে আমিষ মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিল স্থানীয় পৌরনিগম।   

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন