Supreme Court

যৌন পেশা অপরাধ নয়, হেনস্তা করতে পারে না পুলিশ! সাফ বলল সুপ্রিম কোর্ট

শীর্ষ আদালতের এই নয়া নির্দেশিকায় দেশের প্রায় ৯ লক্ষ যৌনকর্মী উপকৃত হবেন। বস্তুত দেশে দেহ ব্যবসা অবৈধ না হলেও পতিতালয় চালানো বা পতিতাবৃত্তিতে প্ররোচনা দেওয়া অপরাধ হিসাবে গণ্য হয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১, ২০২৬, ১৯:০০

options
link
যৌন পেশা অপরাধ নয়, হেনস্তা করতে পারে না পুলিশ! সাফ বলল সুপ্রিম কোর্ট
যৌন পেশা নিয়ে গাইডলাইন সুপ্রিম কোর্টের। ফাইল ছবি।

যারা স্বেচ্ছায় যৌন পরিষেবা দেয় বা যৌন কর্মী হিসাবে কাজ করে তাদের কোনওরকম হেনস্তা করা যাবে না। বা তাদের বিরুদ্ধে কোনওরকম অপরাধমূলক মামলাও দিতে পারবে না পুলিশ। নিজের ইচ্ছায় যৌনতাকে পেশা হিসাবে বেছে নেওয়াটা অপরাধ নয়। আরও একবার স্পষ্ট করে দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। তবে অবশ্যই ওই যৌনকর্মীকে প্রাপ্ত বয়স্ক হতে হবে।

Advertisement

সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জে বি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি আর মহাদেবনের বেঞ্চ জানিয়ে দিল, কেউ যৌনপেশায় যুক্ত, স্রেফ সেই অজুহাতে তাঁকে হেনস্তা করা যাবে না। বা তাঁর বিরুদ্ধে কোনও মামলা করা যাবে না। অনেক সময় দেখা যায়, যৌনপল্লিতে অভিযানের সময় স্বেচ্ছায় যারা যৌনশ্রম দিচ্ছেন তাঁদেরও হেনস্তা করে পুলিশ। উদ্ধার করে তাঁদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে পুনর্বাসন দেওয়া হয়। বা উদ্ধার করার নামে তাঁকে জোর করে ওই পেশা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। শীর্ষ আদালত সাফ জানিয়ে দিল, এর কোনওটিই করা যাবে না।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আদালতের সাফ কথা, ‘ইমোরাল ট্র্যাফিক (প্রিভেনশন) অ্যাক্টে কোথাও বলা নেই যে প্রাপ্তবয়স্ক ও স্বেচ্ছায় যৌনকর্মে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পুলিশ কোনওরকম ব্যবস্থা নিতে পারে। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, পতিতালয় চালানোটা অপরাধ। তেমন কেউ করলে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে। কিন্তু যৌনকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই তাঁর মতামত বেশি গুরুত্ব পাবে। যৌনকর্মীদের উদ্ধার করা বা ‘উদ্ধার’ বা পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে গুরুত্ব দিতে হবে তাদের মতামতকেই।

Advertisement

শীর্ষ আদালতের এই নয়া নির্দেশিকায় দেশের প্রায় ৯ লক্ষ যৌনকর্মী উপকৃত হবেন। বস্তুত দেশে দেহ ব্যবসা অবৈধ না হলেও পতিতালয় চালানো বা পতিতাবৃত্তিতে প্ররোচনা দেওয়া অপরাধ হিসাবে গণ্য হয়। এই আইনের জেরেই বহু যৌনকর্মীকে পরিষেবা দিতে গিয়ে হেনস্তার শিকার হতে হয়। তাছাড়া এই পেশার সঙ্গে যুক্তদের প্রতি সমাজের বক্রদৃষ্টি তো আছেই। শীর্ষ আদালতের নয়া গাইডলাইনে তাঁরা কিছুটা স্বস্তি পাবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.