সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০১৯-এর আগে ভোটের উত্তাপ ক্রমশ চড়ছে। কে কার হাত ধরবে, কার সমর্থন কোন দিকে তা নিয়ে প্রতি মুহূর্তে বদলে যাচ্ছে রাজনৈতিক সমীকরণ। সেই অঙ্ক বলছে অদূর ভবিষ্যতে শিব সেনার সঙ্গে বিজেপির পাকাপাকি বিচ্ছেদই হতে চলেছে। প্রথমে অমিত শাহের একলা চলার প্রত্যয়ী ঘোষণা। তারপরই শিব সেনার মোদিকে আক্রমণ। পরপর দুই ঘটনা এই ইঙ্গিতই দিচ্ছে।
[ ইস্যু নেই তাই আলিঙ্গনের ‘নাটক’, রাহুলকে তোপ মোদির মন্ত্রীর ]
বিজেপি-শিব সেনা সম্পর্ক অনেকটাই শাশুড়ি-বউমার মতো। ঝগড়াঝাটি চলছে দীর্ঘদিন ধরেই। তবে পাকাপাকিভাবে গাঁটছড়া এখনও কাটা হয়নি। কিন্তু সম্পর্ক যে তলানিতে এসে ঠেকেছে তা স্পষ্ট। কিছুদিন আগে শিব সেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে দেখা করে সম্পর্ক ঝালাই করে এসেছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। কিন্তু তাতেও চিড়ে তেমন ভেজেনি। সম্প্রতি আস্থা ভোটের সময় বিজেপিকে ভোট না দিয়ে ওয়াকআউট করে শিব সেনা। এরপরই তিতিবিরক্ত হয়ে ওঠেন অমিত শাহ। দলের মহারাষ্ট্র শাখার নেতৃত্বকে জানিয়ে দেন, সাধারণ নির্বাচনে একা লড়ারই সম্ভাবনা বেশি। সেইমতো যেন প্রস্তুতি নেন কর্মীরা। এরপরই প্রত্যাঘাত করেন উদ্ধব ঠাকরে। সাফ জানিয়ে দেন, তাঁর কাছে সাধারণ মানুষের স্বপ্নের দাম বেশি। মোদির স্বপ্নপূরণের জন্য কোনও লড়াই করতে তিনি নারাজ। উদ্ধব বলেন, বিজেপি যে হিন্দুত্বের নীতি নিয়ে চলে তা তাঁর দলের আদর্শ থেকে আলাদা। দলীয় মুখপত্রে এক সাক্ষাৎকারে শিব সেনার আদর্শ এবং কেন বিজেপি বিরোধিতার পথে হাঁটছে দল তা স্পষ্ট করে দেন উদ্ধব। জানান, কারও কাঁধে বন্দুক রেখে তিনি শিকার করেন না। আর শিকারের জন্য তাঁর অন্যের কাছ থেকে বন্দুক রাখারও প্রশ্ন নেই। তিনি বলেন, তাঁর শুধু কোনও একজন বন্ধু নেই। জনগণই তাঁর ও তাঁর দলের বন্ধু। বিগত কয়েক বছর ধরেই শিব সেনা ও বিজেপির সম্পর্ক ভাল যাচ্ছে না। তবে এবার বোধহয় নিশ্চিতভাবেই বিচ্ছেদের পথে এগোচ্ছে দুই পুরনো শরিক, মত রাজনৈতিক মহলের।
সর্বশেষ খবর
-
মক্কেল নাকি ন্যায়বিচার, কোনটা বেছে নেবে ‘অ্যাডভোকেট অচিন্ত্য আইচ’?
-
মৃতের সংখ্যার সঙ্গে পিওকে নিয়ে বাড়ন্ত অস্বস্তি! ‘বিক্ষোভকারীরা জঙ্গি নয়’, বোধোদয় শাহবাজের দলের
-
আবাসের তথ্য যাচাইয়ে গিয়ে মহিলাকে ধর্ষণের চেষ্টা! গ্রেপ্তার পঞ্চায়েতের অস্থায়ী কর্মী
-
শঙ্কা কাটিয়ে ফিরলেন শুভমান, শ্রীলঙ্কায় প্রস্তুতি ম্যাচে ভারতের জয়ের পরও ব্যাট করে গেলেন সিরাজ
-
ভারতের জেলে মদ-গাঁজায় বুঁদ অপরাধীরা! সমীক্ষায় চাঞ্চল্যকর তথ্য, কীসের নেশা বাড়াচ্ছে উদ্বেগ?