শহিদদের ধর্ম নিয়ে কথা নয়, নাম না করে ওয়েইসিকে জবাব সেনাকর্তার

মুসলিমদের দেশপ্রেম নিয়ে সন্দেহ করবেন না, বলেন এআইএমআইএম প্রধান।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০১৮, ১৬:০১

options
link
শহিদদের ধর্ম নিয়ে কথা নয়, নাম না করে ওয়েইসিকে জবাব সেনাকর্তার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দুশমনরা হীনমন্যতার শিকার। আর তাই তাদের টার্গেট নিরীহ ভারতীয়রা। জওয়ানদের সঙ্গে যুঝতে পারা যাবে না বুঝেই সেনার পরিবারকে বন্দুকের নল ঠেকিয়ে ভয় দেখাতে চাইছে জঙ্গিরা। সীমান্তে হেরে সেনা ছাউনিতে ঢুকে কাপুরুষের মতো হামলা চালাচ্ছে তারা। জম্মু ও কাশ্মীরে সাম্প্রতিক জোড়া জঙ্গি হামলার প্রেক্ষিতে এই কথা বলেন নর্দার্ন কমান্ডের জিওসি লেফটেন্যান্ট জেনারেল দেবরাজ আনবু।

Advertisement

[সাহস থাকে তো সীমান্তে দাঁড়িয়ে লড়াই করুন ভাগবত, আক্রমণাত্মক ওয়েসি]

শহিদদের ধর্ম নিয়ে মেরুকরণেরও তীব্র নিন্দা করেছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল। বলছেন, ‘যাঁরা এই ধরনের কথা বলছেন, তাঁরা সেনার কাঠামো বা কর্মপদ্ধতি জানেন না।’ বস্তুত, সেনাকর্তার এই মন্তব্য এআইএমআইএম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েইসিকে লক্ষ্য করে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। গত সপ্তাহে জম্মুর সুঞ্জওয়ানে সেনা ছাউনিতে জঙ্গি হামলায় শহিদদের ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ওয়েইসি। হায়দরাবাদের সাংসদ মুসলিমদের দেশপ্রেমের পক্ষে সওয়াল করেন। দাবি করেন, ৫ কাশ্মীরি মুসলিম শহিদ হয়েছেন। এরপরও কেন মুসলিমদের দেশপ্রেম নিয়ে প্রশ্ন উঠবে? এদিকে, করণনগর এনকাউন্টারে শহিদ সিআরপিএফ জওয়ান মুজাহিদ খানের মরদেহ আজ বিহারে গিয়ে পৌঁছলে বহু মানুষ তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বস্তুত, পাক জঙ্গি নয়, আপাতত ভারতীয় যুবকরা জঙ্গিদের দলে নাম লেখানোয় বেশি চিন্তায় কেন্দ্র। লেফটেন্যান্ট জেনারেল দেবরাজ আনবু এই কথা স্বীকার করে জানিয়েছেন, একাংশের যুবাদের এই প্রবণতার মোকাবিলায় ইতিমধ্যেই পদক্ষেপ করেছে সেনা। বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে এই ধরনের জঙ্গি নেতাদের নিকেশ করার উপর। তবে সোশ্যাল মিডিয়াই যে সন্ত্রাসবাদে মদত দিচ্ছে, সে কথা কোনও রাখঢাক না করেই জানিয়েছেন তিনি। এই সোশ্যাল মিডিয়ার জন্যই যুবকদের একটা বড় অংশ জঙ্গিদের দলে ভিড়ছে বলে মনে করেন নর্দার্ন কমান্ডের জিওসি।

জম্মু ও কাশ্মীরে হিজবুল, লস্কর ও জইশ- সব জঙ্গিরাই একে অপরের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। তাদের কার্যকলাপের মধ্যে কোনও পার্থক্য নেই। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সূত্রে খবর, উপত্যকার এক একটি অংশে এক এক সংগঠনের জঙ্গিরা বেশি সক্রিয়। তাদের সাহায্য করছে একাংশের স্থানীয় তরুণরা। তবে লেফটেন্যান্ট জেনারেল দেবরাজ আনবু স্পষ্ট করেছেন, যারা দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে শামিল হবে, তাদেরও দেশের শত্রু হিসাবেই ধরা হবে। তাদের নিকেশে কোনওরকম মানবিকতা দেখাবে না সেনা, সেটা নর্দার্ন কমান্ডের জিওসির কথাতেই স্পষ্ট।

[খালি হাতে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে লড়াই, পরিবারকে বাঁচিয়ে শহিদ সুবেদার মদনলাল]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.