Sugar Price Hike

রাখি-ভাইফোঁটায় ভাইয়ের মিষ্টিমুখ হবে তো? চিনির অগ্নিমূল্যে বাড়ছে চিন্তা, মহার্ঘ আর কী কী?

চলতি মাসের শেষেই রাখিবন্ধন। তারপর গণেশ পুজো, দুর্গা পুজো, দীপাবলি, ভাইফোঁটার মতো একের পর এক অনুষ্ঠান রয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০২৬, ১৬:৩৮

options
link
রাখি-ভাইফোঁটায় ভাইয়ের মিষ্টিমুখ হবে তো? চিনির অগ্নিমূল্যে বাড়ছে চিন্তা, মহার্ঘ আর কী কী?
হু হু করে বাড়বে মিষ্টির দাম, এমনটাই আশঙ্কা। প্রতীকী ছবি।

মাত্র ১২ দিনে ১০ টাকা বেড়েছে প্রতি কেজি চিনির দাম। একধাক্কায় প্রায় কুড়ি শতাংশ বৃদ্ধির জেরে মাথায় হাত আমজনতার। এহেন পরিস্থিতিতে বাজার বিশেষজ্ঞদের পূর্বাভাস, আগামী কয়েকদিনে চিনির দাম আরও উর্ধ্বমুখী হবে। সামনেই উৎসবের মরশুম। তার আগে চিনির অগ্নিমূল্য ভাবাচ্ছে ক্রেতা-বিক্রেতা সকলকেই। কারণ চিনির দাম বাড়লে তার প্রভাব পড়বে অন্যান্য নানা খাদ্যপণ্যে।

Advertisement

কেন বাড়ছে চিনির দাম? চলতি বছর বর্ষা অনিয়মিত হওয়ায় আখের উৎপাদন কিছুটা মার খেয়েছে। সমস্যা হল, উৎপাদন কম হওয়ার পাশাপাশি ইথানল কারখানায় চাহিদা বৃদ্ধি। দেশে ইথানলের সরবরাহ বাড়ানোর জন্য গত কয়েক বছরে ইথানল ফ্যাক্টারি বাড়াতে উৎসাহ দিয়েছে কেন্দ্র। ইথানল তৈরিতে প্রায় ৩০-৩৫ শতাংশ আখের রস প্রয়োজন। বিপুল চাহিদা মেটাতে এই কারখানাগুলি কৃষকদের কাছে কিছুটা বেশি দামে আখ কিনছে। যার ফলশ্রুতিতে এই মুহূর্তে চিনি মিলগুলিতে আখের সরবরাহ কম।

Advertisement

সবমিলিয়ে চিনির উৎপাদন কমছে, ফলে বাজারের চাহিদামতো চিনির জোগান দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। সেকারণেই চড়চড়িয়ে বাড়ছে চিনির দাম, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আমজনতার উদ্বেগ। চিনির দাম বাড়লে সবার আগে প্রভাব পড়বে মিষ্টি ব্যবসায়। সামনে আসছে উৎসবের মরশুম। চলতি মাসের শেষেই রাখিবন্ধন। তারপর গণেশ পুজো, দুর্গা পুজো, দীপাবলি, ভাইফোঁটার মতো একের পর এক অনুষ্ঠান রয়েছে। সেখানে মিষ্টি অত্য়ন্ত প্রয়োজন। কিন্তু চিনির দাম বাড়ায় মিষ্টির ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়পক্ষের উপরেই চাপ বাড়বে। হু হু করে বাড়বে মিষ্টির দাম, এমনটাই আশঙ্কা।

Advertisement

পাশাপাশি বাড়তে পারে প্যাকেটজাত মিষ্টি খাবার এবং পানীয়র দাম। কেক-বিস্কুটের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় খাবার, সফট ড্রিঙ্ক, চিনি দেওয়া এনার্জি ড্রিঙ্কও মহার্ঘ হতে পারে। সবমিলিয়ে সমস্যায় পড়বেন আমজনতা। আগামী দিনে এই সমস্যা আরও বাড়তে পারে। কারণ চিনি উৎপাদনে এতদিন যে ভারত শুধু স্বাবলম্বী ছিল তাই নয়, প্রতি বছর বড় অঙ্কের চিনি রপ্তানিও করত। কিন্তু এ বছর ইথানল উৎপাদনের জোরাল ধাক্কায় এতটাই অভূতপূর্ব সংকটের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে বিদেশ থেকে প্রচুর চিনি আমদানির কথা ভাবতে হচ্ছে। ফলে অদূর ভবিষ্যতে চিনি খাওয়াটা বিলাসিতা হয়ে উঠতে পারে ভারতবাসীর জন্য।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.