Kerala CM

স্থানীয় নেতাদের বঞ্চিত করে রাহুল ঘনিষ্ঠকে মুখ্যমন্ত্রী করার তোড়জোড়, কেরল জিতেও চাপে কংগ্রেস

যে পাঁচ বিধানসভায় ভোট হল, তাতে কংগ্রেসের সোনালি রেখা শুধু একটাই। সেটা কেরলম। মালয়ালি রাজ্যে অবসান ঘটেছে বাম শাসনের। তারপরই রাজ্যের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৬, ২০২৬, ১৯:৩১

options
link
স্থানীয় নেতাদের বঞ্চিত করে রাহুল ঘনিষ্ঠকে মুখ্যমন্ত্রী করার তোড়জোড়, কেরল জিতেও চাপে কংগ্রেস
কে সি ভেনুগোপাল। ফাইল ছবি।

যে পাঁচ বিধানসভায় ভোট হল, তাতে কংগ্রেসের সোনালি রেখা শুধু একটাই। সেটা কেরলম। মালয়ালি রাজ্যে অবসান ঘটেছে বাম শাসনের। তারপরই রাজ্যের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী (Kerala CM) কে হবেন, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে। কারণ, দক্ষিণের এই রাজ্যে কংগ্রেসের বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা রয়েছেন, যাঁরা মুখ্যমন্ত্রী পদের দাবিদার। যাঁদের মধ্যে সাংসদ ও জনপ্রিয় নেতা শশী থারুর, প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা ভি ডি সতীশন, রয়েছেন বিরোধী দলনেতা রমেশ চেন্নিথালা। তবে অনেকেই মনে করছেন, হাইকমান্ডের আস্থাভাজন কে সি বেণুগোপালই হয়তো শেষ হাসি হাসবেন।

Advertisement

সোমবার গণনার পর দেখা যায়, কেরলমে বিপুল জয় পেয়েছে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউডিএফ)। তারপরই চর্চায় উঠে আসেন দলের অন্যতম সাধারণ সম্পাদক, সংগঠন বেণুগোপাল। দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের একজন বিশ্বস্ত লেফটেন্যান্ট হিসেবে বেনুগোপালকে প্রকৃতপক্ষে বিধানসভা নির্বাচনের একেবারে শুরু থেকেই সম্ভাব্য মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল। তবে রাজ্যে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন জোটের পুনরায় ক্ষমতায় ফেরা নিশ্চিত ছিল না। তবে পাশা উলটোতেই জল্পনা গতি পেয়েছে। যে নেতা সাম্প্রতিক বছরগুলিতে মূলত রাজ্য-স্তরের রাজনীতির প্রচারের আড়ালে থেকেছেন, তাঁর জন্য এই নতুন করে শুরু হওয়া জল্পনা একটি আকর্ষণীয় মোড়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কান্নুরের অধিবাসী, ৬৩ বছর বয়সী এই নেতা ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন এবং কেরল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন ও পরে ইন্ডিয়ান ইয়ুথ কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বে উঠে আসেন। তিনি ১৯৯৬ সাল থেকে টানা তিনবার কেরল বিধানসভায় আলাঙ্গুঝার প্রতিনিধিত্ব করে উল্লেখযোগ্য সাফল্যের সাথে নির্বাচনী রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। তিনি ২০০৪ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে ওমেন চান্ডির মন্ত্রিসভায় দেবস্বম ও পর্যটন মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীকালে ২০০৯ সালে তিনি আলাম্বুঝা থেকে লোকসভায় নির্বাচিত হন এবং মনমোহন সিংয়ের নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে রাহল গান্ধীর বিশ্বাসভাজন হিসেবে উঠে আসেন। নবনির্বাচিত কংগ্রেস বিধায়কদের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের মধ্যে তাঁর আপেক্ষিক গ্রহণযোগ্যতাকে তাঁর সুবিধা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে এমন পরিস্থিতিতে যেখানে বহু গোষ্ঠীতে বিভক্ত কেরল কংগ্রেসকে যিনি এক সুতোয় বাঁধতে পারেন বলেই মনে করা হচ্ছে।

Advertisement

তবে এ নিয়ে প্রশ্নও রয়েছে বিস্তর। হাই কম্যান্ডের আস্থাভাজন হলেও ভেনুগোপাল জননেতা নন। কেরলে মাঠে নেমে দীর্ঘদিন রাজনীতি করেননি। যে কাজটা করেছেন ভিডি সতীশন, রমেশ চেন্নিথালারা। কঠিন সময়ে বিধায়কদের পাশে থেকেছেন তাঁরা। তাঁদের বঞ্চিত করে রাহুল ঘনিষ্ঠকে মুখ্যমন্ত্রী করাটা কতটা যুক্তিযুক্ত?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন