সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নেশার জিনিস কিনবেন বলে স্বামীর কাছে টাকা চেয়েছিলেন। স্বামী দিতে অস্বীকার করেন। আর সেই অভিমানে তিন সন্তানকে বিষ খাইয়ে স্ত্রী নিজেকেও শেষ করে দিলেন বলে অভিযোগ। মৃত্যু হয়েছে দুই সন্তানেরও। একজন হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন। মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের চিত্রকূটে।তদন্তে নেমেছে পুলিশ।
জানা যাচ্ছে, বছর ছাব্বিশের ওই মহিলার নাম জ্যোতি যাদব। নেশায় আসক্ত ছিলেন তিনি। জ্যোতির স্বামী বাবু যাদব পেশায় চালক। শনিবার সকালে স্বামীর কাছ থেকে নেশার জিনিস কেনার জন্য টাকা চান জ্যোতি। বাবু টাকা দিতে আপত্তি জানালে স্ত্রীর সঙ্গে প্রবল কথা কাটাকাটি হয়। অভিযোগ, এরপরই বিষপান করেন জ্যোতি। তিন সন্তানকেও বিষ খাইয়ে দেন। সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে বাবু দেখেন, তাঁর স্ত্রী ও চার বছরের সন্তান গুরুতর অসুস্থ। যন্ত্রণায় ছটফট করছে। অন্য দুই সন্তানকে পরীক্ষা করে বাবু বুঝতে পারেন, কেউই আর বেঁচে নেই।
কাছাকাছি চিকিৎসাকেন্দ্রে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা বাবু-জ্যোতির এক সন্তান বুলবুলকে মৃত বলে ঘোষণা করে। বাকিদের সাতনা জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানে জ্যোতি ও তাঁর মেয়ে চন্দ্রমার মৃত্যু হয়েছে। চার বছরের ছেলে দীপচাঁদের চিকিৎসা চলছে। তবে তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক। আত্মীয়স্বজন ও গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, নেশা করা নিয়ে প্রায়শই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিবাদ হতো। বাবু পরিবার ও সন্তানদের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে বারবার জ্যোতিকে এসব খেতে নিষেধ করতেন।
পুলিশ ও চিকিৎসকরা জানিয়েছে, বিষপানের কারণেই জ্যোতি ও তাঁর দুই সন্তানের মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মেডিক্যাল অফিসার রূপেশ সোনি জানিয়েছেন, অসুস্থদের হাসপাতালে আনার সময়ই বিষক্রিয়ার লক্ষণ দেখা গিয়েছিল। পরিস্থিতি গুরুতর হওয়ার কারণেই তৎক্ষণাৎ জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেন তাঁরা। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
সর্বশেষ খবর
-
মমতার তিরস্কার, শুভেন্দুর পুরস্কার! দময়ন্তী সেন-সহ ৬ আইপিএসকে স্বাধীনতা দিবসে সম্মান মুখ্যমন্ত্রীর
-
কলকাতা মেডিক্যালে মহিলা কর্মীর আত্মহত্যার চেষ্টা! নেপথ্যে কী কারণ?
-
কার্যালয়ে কার্তুজ, গোপন ডেরায় ইসিএলের নথি! দেড় মাস পর পুলিশের জালে বিধায়ক পুত্র ‘বাহুবলী’ প্রেমপাল
-
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ‘তিজ’ উদযাপনে কাকলি-শতাব্দী-রচনারা, মেহেন্দি-সেলফিতে হুল্লোড়, শামিল কঙ্গনাও
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে