Women's Reservation Act 2023

হঠাৎ বিজ্ঞপ্তি সরকারের, সংসদে জোর বিতর্কের মধ্যেই কার্যকর হয়ে গেল মহিলা সংরক্ষণ আইন!

শাসক-বিরোধী জোর তরজা। প্রবল আপত্তি বিরোধীদের। বেনজিরভাবে বৃহস্পতিবার মধ্যরাত পর্যন্ত সংসদে বিতর্ক চলেছে। আজ ভোটাভুটিও হওয়ার কথা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৭, ২০২৬, ১৭:৪৮

options
link
হঠাৎ বিজ্ঞপ্তি সরকারের, সংসদে জোর বিতর্কের মধ্যেই কার্যকর হয়ে গেল মহিলা সংরক্ষণ আইন!
মহিলা সংরক্ষণ আইন কার্যকর। ফাইল ছবি।

শাসক-বিরোধী জোর তরজা। প্রবল আপত্তি বিরোধীদের। অবস্থানে অনড় শাসক শিবির। মধ্যরাত পর্যন্ত বিতর্ক। লোকসভায় মহিলা সংরক্ষণ সংশোধনী আইন আদৌ পাশ হবে কিনা সেটা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে শুক্রবার। এদিন বিকালেই বিলটি নিয়ে ভোটাভুটি হওয়ার কথা। এরই মধ্যে একপ্রকার হঠাতই ২০২৩ সালে পাশ হওয়া মহিলা সংরক্ষণ আইনটি (Women’s Reservation Act 2023) কার্যকর করে দিল কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার।

Advertisement

আসলে ২০২৩ সালেই সংবিধান সংশোধন করে দেশের সব আইনসভায় মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণের আইন পাশ করায় মোদি সরকার। সেবার বিরোধীরাও ওই বিলটিকে সমর্থন করে। বিলে উল্লেখিত ছিল, মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। সেখানে আরও বলা হয়েছিল, জনগণনার পরে আসন পুনর্বিন্যাস করা হবে। তারপর ওই আসনের ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষিত রাখা হবে মহিলাদের জন্য। যেহেতু ২০১১ সালের পর আর কোনও জনগণনা হয়নি, তাই ওই আইন আর কার্যকর হয়নি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এখন নরেন্দ্র মোদি সরকার ফের সংবিধান সংশোধন করে নতুন জনগণনার ব্যাপারটি তুলে দিতে চাইছে। সরকার চাইছে ২০১১ সালের জনগণনার ভিত্তিতে অথবা বর্তমান আসনের আনুপাতিক হারে আসন পুনর্বিন্যাস করে দিতে। শুধু তাই নয়, এরপর কবে আসন পুনর্বিন্যাস হবে, সেটা কীসের ভিত্তিতে হবে সবটাকেই সরকারের হাতে করে নিতে চাইছে মোদি সরকার। নতুন আইন পাশ হলে আর সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন পড়বে না। তাতেই তীব্র আপত্তি বিরোধীদের। সেই নিয়ে বিতর্ক চলছে। বেনজিরভাবে বৃহস্পতিবার মধ্যরাত পর্যন্ত সংসদে বিতর্ক চলেছে। আজ ভোটাভুটিও হওয়ার কথা।

Advertisement

এরই মধ্যে শুক্রবার সকালে কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতি জারি করে ২০২৩ সালের আইনটি কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল? হঠাৎ কেন এই সিদ্ধান্ত? সরকারের তরফে কিছু জানানো হয়নি। তবে মনে করা হচ্ছে, আগের আইনটি পদ্ধতিগত কারণেই কার্যকর করা হয়েছে। নাহলে ওই আইনের সংশোধনী পাশ হলেও সেটা কার্যকর করা যেত না।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন