Anil Ambani

ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলা: দেশের বাইরে যাব না, সুপ্রিম কোর্টকে জানালেন শিল্পপতি অনিল আম্বানি

আদালতের অনুমতি ছাড়া দেশের বাইরে যাবেন না অনিল আম্বানি। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে এ কথা জানালেন তিনি। এ-ও জানালেন, ইডি এবং সিবিআইয়ের তদন্তেও তিনি সম্পূর্ণ সহযোগিতা করবেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬, ১৪:৪০

options
link
ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলা: দেশের বাইরে যাব না, সুপ্রিম কোর্টকে জানালেন শিল্পপতি অনিল আম্বানি
অনিল আম্বানি। ফাইল চিত্র।

আদালতের অনুমতি ছাড়া দেশের বাইরে যাবেন না অনিল আম্বানি। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে এ কথা জানালেন তিনি। এ-ও জানালেন, ইডি এবং সিবিআইয়ের তদন্তেও তিনি সম্পূর্ণ সহযোগিতা করবেন।

Advertisement

ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে শিল্পপতি অনিলের (Anil Ambani) বিরুদ্ধে। অভিযোগ, প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকার ঋণ নিয়েছে তাঁর গোষ্ঠীর অধীনস্থ সংস্থাগুলি। কিন্তু সেই ঋণ তারা মেটায়নি। এই অভিযোগের তদন্ত শুরু করে দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কিন্তু তদন্তের ধীর গতি নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করে আদালতের নজরদারিতে তদন্তে আর্জি জানিয়েছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় সচিব ইএএস শর্মা। সেই মামলা উঠেছে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের বেঞ্চে। সেখানেই অনিল হলফনামা দিয়ে জানান, তিনি তদন্তে সহযোগিতা করবেন এবং আদালতের অনুমতি ছাড়া তিনি দেশের বাইরে যাবেন না।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

অনিলের আইনজীবী মুকুল রোহতগি আদালতে জানিয়েছেন, তদন্ত শুরু হওয়ার পর থেকে দেশের বাইরে যাননি তাঁর মক্কেল। বর্তমান পরিস্থিতিতেও তাঁর ভারতের বাইরে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। কিন্তু যদি তাঁকে বিদেশে যেতে হয়, তিনি আদালতের অনুমতি নিয়েই যাবেন। অনিল প্রথম থেকেই তদন্তে সহযোগিতা করছেন বলে আদালতে জানিয়েছেন তাঁর আইনজীবী। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি ওই ঋণ প্রতারণার মামলার তদন্তে অনিলকে তলব করেছে ইডি। সুপ্রিম কোর্টে নিজেই সে কথা উল্লেখ করে শিল্পপতি জানান, তিনি ওই দিন ইডির দফতরে যাবেন এবং তদন্তে সহযোগিতা করবেন।

Advertisement

প্রসঙ্গত, অনিলের বিরুদ্ধে অভিযোগের মামলায় তদন্তের শ্লথ গতি নিয়ে আগেই প্রশ্ন তুলেছিল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের প্রশ্নের মুখেও পড়েছিল দুই তদন্তকারী সংস্থা। এর পরেই তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে সিবিআই এবং ইডি-কে চার সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে বলেছে আদালত। মামলাকারী শর্মা প্রশ্ন তুলেছিলেন, ঋণ প্রতারণার বিষয়টি প্রথম ধরা পড়েছিল ২০০৭-০৮ সালে। কিন্তু এফআইআর দায়ের হয় ২০২৫ সালে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন