Yasin Malik

৩৬ বছর আগে কাশ্মীরি পণ্ডিত নার্সকে ধর্ষণের পরে খুন! অবশেষে চার্জশিট পেশ ইয়াসিন মালিকের বিরুদ্ধে

৭৩৭ পাতার চার্জশিট ইয়াসিন ছাড়াও নাম রয়েছে আরও চারজনের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩০, ২০২৬, ১৫:৩৭

options
link
৩৬ বছর আগে কাশ্মীরি পণ্ডিত নার্সকে ধর্ষণের পরে খুন! অবশেষে চার্জশিট পেশ ইয়াসিন মালিকের বিরুদ্ধে
ইয়াসিন মালিক। ফাইল ছবি

৩৬ বছর আগে কাশ্মীরি পণ্ডিত সম্প্রদায়ের নার্স সরলা ভট্টকে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে অভিযুক্ত ইয়াসিন মালিক। জম্মু ও কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতার বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা পড়ল আদালতে। সোমবারই এসআইএ যে ৭৩৭ পাতার চার্জশিট জমা দিয়েছে তাতে ইয়াসিন ছাড়াও নাম রয়েছে আরও চারজনের।

Advertisement

সরলা ভাট ছিলেন শের-ই-কাশ্মীর ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেসের কর্মী নার্স। ১৯৯০ সালের ১৮ এপ্রিল তাঁকে হাসপাতালের কাছ থেকে অপহরণ করা হয়। এরপর তাঁকে বন্দি করে রেখে অমানবিক নির্যাতন ও ধর্ষণ করার পরে গুলি করে খুন করা হয়। কাশ্মীর উপত্যকা যখন তার আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম অন্ধকার অধ্যায়ে নিমজ্জিত ছিল, তখনও যে কয়েকজন কাশ্মীরি পণ্ডিত নারী নিজেদের অবস্থানে অটল ছিলেন, তিনি ছিলেন তাঁদেরই একজন। এত বছর পেরিয়ে অবশেষে সরলা হত্যার অন্যতম মূল অভিযুক্ত ইয়াসিনের (Yasin Malik) বিরুদ্ধে চার্জশিট গঠিত হল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রসঙ্গত, ১৯৯০ সালের গোড়া থেকেই কাশ্মীরি পণ্ডিতদের ‘টার্গেট’ করে হত্যা করা শুরু হয়েছিল। আইনজীবী টিক্কা লাল তাপলু, হাইকোর্টের তৎকালীন বিচারপতি নীলকণ্ঠ গঞ্জু, কবি সর্বানন্দ কউল প্রেমী এবং সম্প্রচারকর্মী লাসা কউল— একে একে অল্প সময়ের ব্যবধানে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। এই হত্যাকাণ্ডগুলোর উদ্দেশ্য ছিল পুরো একটি সম্প্রদায়কে এমনভাবে আতঙ্কিত করে তোলা, যাতে তারা ভিটেমাটি ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। যার জেরে একে একে বহু কাশ্মীরি পণ্ডিতই উপত্যকা ছাড়তে শুরু করেন। এসকেআইএমএসে কর্মরত অধিকাংশ কাশ্মীরি পণ্ডিত নার্স তাঁদের পরিবার-পরিজন নিয়ে আগেই চলে গিয়েছিলেন। কিন্তু সরলা ভাট থেকে গিয়েছিলেন। আর সেই কারণেই তাঁকে খুন হতে হয়।

Advertisement

ইউএপিএ মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা খাটছে ইয়াসিন। গত এপ্রিলেই দিল্লি হাই কোর্টে এনআইএ-র পেশ করা হলফনামায় জানানো হয়েছে, ইয়াসিনকে ফাঁসি দেওয়া উচিত। এদিকে নিজের সাজার বিরুদ্ধে ইউএপিএ ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছে ‘জঙ্গি নেতা’। “১৯৯৪ সালেই আমি অস্ত্র ছেড়েছি। ৩ দশক হয়ে গেল। আমি এখন গান্ধীবাদী।” ইয়াসিনের বক্তব্য, “ঐক্যবদ্ধ কাশ্মীরের স্বার্থেই আন্দোলন করছি। তবে সেটা অহিংসার পথে।” তবে ইয়াসিনের ভোলবদলের এহেন দাবির মধ্যেই এবার সরলা ভট্ট খুনের চার্জশিটও পেশ হল তার বিরুদ্ধে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.