সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গত ৮ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৫০০ ও ১০০০ টাকার পুরনো নোট বাতিল বলে ঘোষণা করার পর থেকেই ঘুম ছুটেছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার কর্তাদের৷ এখন দিন-রাত এক করে লাগাতার নতুন নোট ছাপানোর চলছে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কে৷ কিন্তু একধাক্কায় পুরনো ১৫ লক্ষ কোটি নোট সরিয়ে নতুন নোট বাজারে আনা যে মুখের কথা নয়, তা স্বীকার করছেন প্রত্যেকেই৷
গোটা দেশ এখন কালো টাকা ও দুর্নীতিকে ছুঁড়ে ফেলতে প্রধানমন্ত্রীকে অকুন্ঠ সমর্থন জানিয়েছেন৷ অধিকাংশ ভারতীয়ই চান, দেশ থেকে নির্মূল হোক কালো টাকা৷ কিন্তু মজার বিষয় হল, পুরনো ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল হওয়ার পর যে নতুন টাকা ব্যাঙ্ক, ডাকঘর বা এটিএম থেকে মিলছে সেগুলি ১০০ শতাংশ খাঁটি ভারতীয় নয়৷ আরবিআই এই খবরের সত্যতা স্বীকার করে নিয়েছে৷ জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে চারটি কারেন্সি প্রিন্টিং প্রেস থেকে জোরকদমে চলছে নতুন নোট ছাপার কাজ৷ মহারাষ্ট্রের নাসিক ও মধ্যপ্রদেশের দেবসে প্রতিদিন ৯০ লক্ষ করে ৫০০ টাকার নোট, কর্ণাটকের মাইসুরু ও এ রাজ্যের শালবনীতে ৪ কোটি করে দু’হাজার টাকার নোট ছাপানোর কাজ চলছে৷
এখানেই লুকিয়ে রয়েছে আরেকটি তথ্য৷ নোট ছাপানোর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজ আসে হোশাংগাবাদের মিল থেকে৷ পাহাড়প্রমাণ চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিতে ১৬ মিলিয়ন টন কাগজ আসছে ওই মিল থেকে৷ কিন্তু তাতেও যেন কুলোচ্ছে না! ফলে একরম বাধ্য হয়েই ব্রিটেন থেকে আনতে হচ্ছে নোট ছাপার কাগজ৷ কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক জানিয়েছে, ৫০:৫০ অনুপাতে দেশীয় ও বিদেশি কাগজে নোট ছাপা হচ্ছে৷ নতুন টাকা আর সম্পূর্ণ ভারতীয় থাকছে না৷ এর মধ্যে গোদরেজ গ্রুপের চেয়ারম্যান আদি গোদরেজ কেন্দ্রকে পরামর্শ দিয়েছেন, চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত নোট ছাপতে বিদেশি ছাপাখানা ব্যবহার করতে পারে ভারত৷ বেশ কিছু বিদেশি সংস্থা রয়েছে, যারা ভারতীয় নোট ছাপতে আগ্রহী৷
সর্বশেষ খবর
-
ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পে মৃত্যু হাজার ছুঁই ছুঁই! উদ্ধারকাজের গতি নিয়ে সরকারের উপরে রুষ্ট আমজনতা
-
বিশ্বকাপ যেন প্রহসন, উৎসব ভুলে স্টেডিয়ামে ছেলে-মেয়ের শব খুঁজছে মায়েদের ‘সার্চ পার্টি’
-
‘২ বছরে একটা করে বাংলা ছবি করতেই হবে’, বিধায়ক রূপাকে পরামর্শ অনুপম খেরের
-
প্রবল দুর্যোগের আশঙ্কা উত্তরে, বাড়বে নদীর জলস্তর, নামতে পারে ধস! দক্ষিণবঙ্গে কেমন থাকবে আবহাওয়া?
-
এক ম্যাচের ফলে নকআউটে পাঁচ দেশ, মেসিদের সামনে ভোজিনহার কেপ ভার্দে, কেমন হবে সূচি?