প্রসূন বিশ্বাস: লিগ শিল্ড হওয়ার পর লক্ষ্য দ্বিমুকুট। সামনে বেঙ্গালুরু এফসি। প্রতিপক্ষ যেই থাকুক না কেন, পাখির চোখ নিশানা করে নিয়েছেন মোহনবাগান কোচ মোলিনা। ষাট হাজারের যুবভারতীতে সমর্থকদের জন্যই দ্বিমুকুট জয়ের লক্ষ্যে নামবে লিগ শিল্ড জয়ী মোহনবাগান। ফাইনালের আগে সাংবাদিক সম্মেলনে মোহনবাগান কোচ মোলিনা জানিয়ে দিলেন তাঁর দল দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আর সল্টলেক স্টেডিয়ামে মায়াবী সবুজ-মেরুন রাত ফেরাতে মরিয়া অধিনায়ক শুভাশিস বোস।
সেমিফাইনালের রুদ্ধশ্বাস জয়ে মোহনবাগান প্রমাণ করে দিয়েছে কেন তারা ভারতসেরা। ম্যাচের আগে দিমি-জেমিরা বলেছিলেন, সমর্থকদের জন্যই তাঁদের লড়াই। আর ফাইনাল নিয়ে শুভাশিসের সাফ বক্তব্য, ঘরের মাঠে সমর্থকদের সামনে খেলতে পারাই তাঁদের কাছে কাপজয়ের বাড়তি প্রেরণা। গত বছর ফাইনালে উঠেও কাপ জেতা হয়নি। সেই অধরা মাধুরী এবার ছুঁতে চান অধিনায়ক শুভাশিস। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানিয়ে গেলেন, “এটা আমাদের টানা তৃতীয় ফাইনাল। আমরা আত্মবিশ্বাসী ছিলাম যে আমরা ফাইনাল খেলবই। কাল যারা কম ভুল করবে, তারাই চ্যাম্পিয়ন। আমরা তার জন্য নিজেদের সেরাটা দেব। আমরা সম্পূর্ণ তৈরি।”
লিগ শিল্ড জয়ের পর এবার দ্বিমুকুটের প্রত্যাশা। তার উপর ঘরের মাঠে খেলা। কিছুটা চাপও কী আছে? মোহনবাগান কোচ মোলিনা অবশ্য সেটাকে চাপ হিসেবে দেখার বদলে প্রেরণা হিসেবে দেখছেন। তিনি বলছেন, “সমর্থকদের জন্যই খেলি। আমি শুধু তাঁদের খুশি করতে চাই। পারফরম্যান্স কেমন হল, তাঁর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ জেতা। সমর্থকদের মুখে হাসি ফুটলে আর কিছু চাই না।” তবে বেঙ্গালুরুকে নিয়ে যথেষ্ট সতর্ক মোলিনা। জানিয়ে দিলেন, ফাইনাল সব সময়ই কঠিন। সেটা বিপক্ষে যে দলই থাকুক না কেন?
অন্যদিকে বেঙ্গালুরু কোচ জেরার্ড জারাগোজা সমীহ করছেন মোহনবাগানের আক্রমণভাগকে। শুধু কামিন্স বা ম্যাকলারেন নয়, গোটা দলকে নিয়েই চিন্তিত তিনি। এবারের লিগে এই মাঠেই ৪-০ গোলে সুনীল ছেত্রীদের বিধ্বস্ত করেছিল মোহনবাগান। জারাগোজা অবশ্য হুঙ্কার দিয়ে রাখলেন, “ফাইনাল অন্য ম্যাচ।” সেই সঙ্গে বললেন, ফাইনালটা সুনীল ছেত্রীর ম্যাজিক দেখা যেতেই পারে। এবছর দুরন্ত ফর্মে আছেন সুনীল। করেছেন ১৪টি গোল। আর গুরপ্রীত সিং? যিনি কি না মুখোমুখি হবেন ‘প্রতিদ্বন্দ্বী’ বিশাল কাইথের। কিছুদিন আগে গুরপ্রীতের একটি পোস্ট নিয়ে খুব সমালোচনা হয়। গুরপ্রীত যদিও বলছেন, সোশাল মিডিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। কিন্তু মাঠের পারফরম্যান্স? সেখানে কি বিশালকে আদৌ টেক্কা দিতে পারবেন তিনি? সেটা তো শনিবারের যুবভারতীতেই ফয়সালা হয়ে যাবে।
সর্বশেষ খবর
-
মমতার তিরস্কার, শুভেন্দুর পুরস্কার! দময়ন্তী সেন-সহ ৬ আইপিএসকে স্বাধীনতা দিবসে সম্মান মুখ্যমন্ত্রীর
-
কলকাতা মেডিক্যালে মহিলা কর্মীর আত্মহত্যার চেষ্টা! নেপথ্যে কী কারণ?
-
কার্যালয়ে কার্তুজ, গোপন ডেরায় ইসিএলের নথি! দেড় মাস পর পুলিশের জালে বিধায়ক পুত্র ‘বাহুবলী’ প্রেমপাল
-
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ‘তিজ’ উদযাপনে কাকলি-শতাব্দী-রচনারা, মেহেন্দি-সেলফিতে হুল্লোড়, শামিল কঙ্গনাও
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে