CAA

CAA নিয়ে বাংলায় অশান্তির জেরে গ্রেপ্তার ৯৩১, হাই কোর্টে রিপোর্ট জমা দিল রাজ্য

মোট ৬৪টি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২০, ২০১৯, ০৮:৫৮

options
link
CAA নিয়ে বাংলায় অশান্তির জেরে গ্রেপ্তার ৯৩১, হাই কোর্টে রিপোর্ট জমা দিল রাজ্য

শুভঙ্কর বসু: সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের (সিএএ) প্রতিবাদে বিক্ষোভের নামে যে অরাজকতা চলছে তার প্রেক্ষিতে কড়া ব্যবস্থা নিয়েছে রাজ্য। অশান্তি পাকানোর অভিযোগে এখনও পর্যন্ত ৯৩১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মোট ৬৪টি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।

Advertisement

এই মর্মে এদিন কলকাতা হাই কোর্টে রিপোর্ট জমা দিল রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি টি বি রাধাকৃষ্ণনের ডিভিশন বেঞ্চে রিপোর্ট পেশ করে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত জানিয়েছেন, বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল তা নিয়ন্ত্রণে যথাসম্ভব ব্যবস্থা নিয়েছে রাজ্য সরকার। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সব দিকে সতর্ক নজর রাখা হয়েছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: CAA বিরোধী আন্দোলনে প্রভূত ক্ষতি, রাজ্যের বিরুদ্ধে মামলার ভাবনা রেলের]

সিএএ বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে গোটা রাজ্যে যে পরিস্থিতি, তার প্রেক্ষিতে হাই কোর্টে মোট আটটি মামলা জড়ো হয়েছে। যার একটির জরুরিভিত্তিতে শুনানির পর রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব করেছিল ডিভিশন বেঞ্চ। এদিন সেই রিপোর্টে রাজ্য আরও উল্লেখ করেছে, গোটা রাজ্যে মোট ৭১৫টি রেল স্টেশন রয়েছে। যার মধ্যে মাত্র ৬ থেকে ৭টি রেল স্টেশনে পরিস্থিতি আয়ত্তের বাইরে চলে যায়। পরিষেবা পুরোপুরি ব্যাহত হয়। এজি বলেন, “রেল ও রেল স্টেশনগুলির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকে রেল সুরক্ষা বাহিনী। ভাঙচুর ও বিক্ষোভের সময় রেলের তরফে রাজ্যের কাছে যে সংখ্যক বাহিনী চাওয়া হয়েছিল রাজ্য তাদের সেই সংখ্যক বাহিনী দিয়ে সাহায্য করেছে।”

Advertisement

ছয় জেলার উত্তেজনাপ্রবণ অংশে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করার পাশাপাশি ১৩ তারিখের পর থেকে রাজ্যের তরফে সমস্ত সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। আপাতত পরিস্থিতি রাজ্য সরকারের নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রয়েছে। এছাড়াও এজি জানিয়েছেন, বিক্ষোভ প্রশমনে রাজ্য যে ব্যবস্থা নিয়েছে তা নিয়ে আদালতে একটি বিস্তারিত রিপোর্ট দিতে চায় রাজ্য। মামলার পরবর্তী শুনানি আজ, শুক্রবার দুপুর দুটোয়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.