সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বামনগাছির প্রতিবাদী যুবক সৌরভ চৌধুরির খুনের ঘটনায় ৮ অভিযুক্তের ফাঁসির সাজা মকুব করল কলকাতা হাই কোর্ট। তবে মূল অভিযুক্ত শ্যামল কর্মকারকে ৩০ বছর সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দুই অভিযুক্ত শিশির মুখোপাধ্যায়, পলি মাইতিকে বেকসুর খালাস করা হয়েছে। আর রতন সমাজদার, তারক দাস, সোমনাথ সমাজদার, তাপস সরকার সহ ৬ অভিযুক্তের ক্ষেত্রে যাবজ্জীবনের সাজা ঘোষণা করেছে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি নাদিরা পাথেরিয়ার ডিভিশন বেঞ্চ।
[মাঝ আকাশে আধ ঘণ্টা চক্কর,দেরিতে অবতরণে বেজায় ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী]
এলাকায় বেআইনি মদের কারবারের প্রতিবাদ করতে গিয়েই অকালে প্রাণ হারান বিরাটি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র সৌরভ। ২০১৪ সালের ৫ জুলাই বামনগাছির দত্তপুকুর এলাকায় বাড়ির সামনে থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে সৌরভকে খুন করে শ্যামল ও তাঁর দলবল। টুকরো টুকরো করে রেললাইনের ধারে ফেলে রাখা হয়েছিল তাঁর দেহ। ছাত্রের মৃত্যুতে রাজ্য জুড়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছিল। দোষীদের গ্রেপ্তারের ৪১ দিনের মাথায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেয় পুলিশ। প্রায় দু’বছর পর ২০১৬ সালের ১৫ এপ্রিল মামলার রায় ঘোষণা হয়। ১৩ জন অভিযুক্তের মধ্যে ১২ জনকেই দোষী সাব্যস্ত করেছিলেন বারাসত জেলা আদালতের সপ্তম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা বিচারক দামন প্রসাদ বিশ্বাস। বেকসুর খালাস পেয়েছিল রাজসাক্ষী অনুপ তালুকদার। সাজাপ্রাপ্ত ১২ জনের মধ্যে ৯ জনকে খুন, অপহরণ ও তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল। এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ২০১৬ সালে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করে অভিযুক্তরা। শুক্রবার সেই মামলারই রায় ঘোষণা হল কলকাতা হাই কোর্টে। ৮ অভিযুক্তের ফাঁসির সাজা মকুব হল। তবে মূল অভিযুক্ত শ্যামল কর্মকারকে ৩০ বছর সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
[আইনি সহায়তার আশ্বাসে সুর নরম, টালিগঞ্জ-গড়িয়া রুটে ফের চালু অটো]
শ্যামল ও তার দলবল এলাকায় সমাজবিরোধী কাজের সাথে যুক্ত ছিল। রাস্তার সমস্ত আলোগুলিকে ভেঙে দিত। যাতে কেউ তাদের চিনতে না পারে। এরই প্রতিবাদ করেছিল সৌরভ এবং তারই মাশুল দিতে হয়েছিল তাকে হাইকোর্টে এসে জানালেন সৌরভের বাবা সরোজ কুমার চৌধুরি। দোষীদের সকলের শাস্তি চেয়েছেন তিনি। সৌরভের দাদা সন্দীপ চৌধুরি বলেন, ‘আমরা অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছিলাম। কিন্ত হাই কোর্টের রায়ে আমরা সন্তুষ্ট নই। যারা আমার ভাইকে নির্মম ভাবে হত্যা করল তাদের ফাঁসি চেয়ে ছিলাম। কিন্তু পেলাম না। তাই ভাইয়ের হত্যার সুবিচারের জন্য আমরা সুপ্রিমকোর্টের দ্বারস্থ হব।
[অভিভাবক-পুলিশ খণ্ডযুদ্ধ, পড়ুয়ার যৌন নিগ্রহকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র কারমেল চত্বর]
সর্বশেষ খবর
-
৫ বছর ধরে বৃদ্ধের অ্যাকাউন্টে বিধবা ভাতা! তদন্তে প্রশাসন
-
নেপালে ‘জলদানবে’র হাঁ-মুখের সামনেও অটুট ‘গ্রিন হাউস’, ভাইরাল অক্ষত বাড়ির ভিডিও
-
চাপের মুখে ভারতের সাহায্য নিতে রাজি নেপাল, আটকে পড়া ভারতীয়দের হাল-হকিকত জানাল দিল্লি
-
‘মমতার অধঃপতন হয়েছে’, দল ছেড়ে প্রথম কর্মসূচিতেই তৃণমূলনেত্রীকে নিশানা কাকলির
-
‘ককরোচ’-সহ পড়ুয়াদের আন্দোলনই ‘টার্নিং পয়েন্ট’, সিপিএমের প্লেনামে নতুন পথের হদিশ