Bratya Basu

৭৮১ নয়, রাজ্যে শূন্য শিক্ষকপদ ৫৫ হাজার! রাতারাতি ‘ভোলবদল’ ব্রাত্যর

তীব্র কটাক্ষ বিরোধীদের। 

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৬, ২০২৩, ১৫:৪৬

options
link
৭৮১ নয়, রাজ্যে শূন্য শিক্ষকপদ ৫৫ হাজার! রাতারাতি ‘ভোলবদল’ ব্রাত্যর

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ৭৮১ নয়, রাজ্য়ে শূন্য শিক্ষকপদের সংখ্যা ৫৫ হাজার। বুধবার এই তথ্য জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। অথচ মঙ্গলবারই বিধানসভায় তিনি জানিয়েছিলেন, রাজ্যের মাত্র ৭৮১টি শিক্ষকপদ ফাঁকা রয়েছে। রাতারাতি তাঁর এহেন ‘ভোলবদল’কে কটাক্ষ করেছে বিরোধীরা। সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য় সুজন চক্রবর্তীর খোঁচা, “এদের কাছে ৭৮১ যা, ৫৫ হাজারও তাই, আড়াই লক্ষও তাই। শিক্ষামন্ত্রী প্রাইমারির অঙ্কে ফেল করে গেলেন।” বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি রাহুল সিনহার কটাক্ষ, “এই সরকারের সব জায়গায় চুরি। এবার সংখ্যা চুরি করতে শুরু করেছে।”

Advertisement

মঙ্গলবার বিধানসভায় শিক্ষা সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে রাজ্যের শিক্ষকদের শূন্যপদের তথ্য দেন ব্রাত্য বসু। তার পর সাংবাদিক সম্মেলন থেকে বিষয়টি বিস্তারিতভাবে জানান রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী। বলেন, রাজ্যে ৭৮১টি শিক্ষকপদ শূন্য় রয়েছে। এর মধ্যে উচ্চমাধ্যমিক স্কুলে ১৩টি শিক্ষকপদ, মাধ্যমিকস্তরের স্কুলে ২৮টি, উচ্চপ্রাথমিক স্কুলে ৪৭৩টি এবং প্রাথমিক স্কুলে ২৬৭টি শিক্ষকপদ শূন্য রয়েছে। এদিন সেই সমস্ত হিসেব বদলে গিয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: কাজে-আবাসে ‘দুর্নীতি’ খুঁজতে রাজ্যে কেন্দ্রীয় দল, ‘ওঁরা পকেটমার’, পালটা মমতার]

ব্রাত্য় বসুই জানিয়েছেন প্রাথমিক স্কুলে ১১ হাজার ৭৬৫টি, উচ্চপ্রাথমিকে ১৪ হাজার ৩৩৯টি, মাধ্যমিকে ১৩ হাজার ৫০০টি এবং উচ্চমাধ্যমিকে সাড়ে ৫ হাজারটি শিক্ষকপদ শূন্য রয়েছে। অর্থাৎ সবমিলিয়ে রাজ্যে শূন্য শিক্ষকপদের সংখ্যা ৫৫ হাজার। যা দেখে শিক্ষামন্ত্রীকে তীব্র কটাক্ষ করেছে বিরোধীরা। 

Advertisement

সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য় সুজন চক্রবর্তীর খোঁচা, “২২ সালের মার্চ মাসে বিধানসভায় যা বলেছিলেন শূন্যপদ কত, তা অন রেকর্ড রয়েছে। আজকে বলছে ৫৫ হাজার শূন্যপদ। সম্পূর্ণ অসত্য ভাষণ। এদের কাছে ৭৮১ যা ৫৫ হাজার তাই, আড়াই লক্ষও তাই। আসতে মানুষ যত কম বুঝবে তত লুট করা সহজ হবে। আসলে দায় এড়াচ্ছে সরকার। প্রাইমারির অঙ্কে ফেল করে গেলেন শিক্ষামন্ত্রী।” রাহুল সিনহা বলছেন, “আমার মনে হয় শিক্ষামন্ত্রী নিজের পাড়ার আশপাশের স্কুল গুনে ৭৮১টি শূন্যপদের কথা বলছেন। শিক্ষামন্ত্রী যদি নাট্যবিদ হন তাহলে তো সবেতেই নাটক করবেন। ওঁর নাটক নিয়ে আমার আপত্তি নেই। আসলে সব জায়গায় চুরি হচ্ছে। এবার সংখ্যাও চুরি করতে শুরু করেছে।”

[আরও পড়ুন: ‘আবার খেলা হবে’, তৃণমূলের সম্প্রীতি মঞ্চ থেকে ফের বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ মমতার]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন