BJP

১৫ এপ্রিলের পর নবান্ন অভিযান, ক্ষোভ মেটাতে দু’মাস অন্তর বৈঠকের আশ্বাস বিজেপি নেতৃত্বের

বৈঠকে বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতাদের কাছে একাধিক বিধায়ক ক্ষোভপ্রকাশ করেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১১, ২০২২, ২১:৫৮

options
link
১৫ এপ্রিলের পর নবান্ন অভিযান, ক্ষোভ মেটাতে দু’মাস অন্তর বৈঠকের আশ্বাস বিজেপি নেতৃত্বের
ফাইল ছবি

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: বিধায়কদের সঙ্গে দলের সমন্বয় থাকছে না। পরিষদীয় দলের সঙ্গে বৈঠকে বঙ্গ বিজেপির (BJP) শীর্ষ নেতাদের এই প্রশ্নের সন্মুখীন হতে হল। একাধিক বিধায়ক ক্ষোভপ্রকাশ করেন, পরিষদীয় দলের সঙ্গে দলের সমন্বয় থাকছে না। বিধায়কদের গুরুত্ব দিচ্ছে না দলের জেলা নেতৃত্ব। যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও সংগঠনের কাজে লাগানো হচ্ছে না বিধায়কদের। শুক্রবার রাত পর্যন্ত চলা নিজাম প্যালেসের বৈঠকে একাধিক বিধায়কদের এইসব মনের ক্ষোভের কথা শুনতে হল বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার-সহ অমিতাভ চক্রবর্তী ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীদের।

Advertisement

এরপরই বিধায়কদের ক্ষোভ প্রশমনে তাদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে চলতে ২ মাস পরপর দলের শীর্ষ নেতৃত্ব বৈঠকে বসবেন। দল ও বিধায়করা যে এক, সেটা বোঝাতে জেলা নেতৃত্বকেও বার্তা দেওয়া হবে সংগঠনের কাজে বিধায়কদের নিয়ে চলার জন্য। জেলায় জেলায় বিধায়কদের আন্দোলন, কর্মসূচির নেতৃত্ব দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ১৫ এপ্রিলের পর নবান্ন অভিযানের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে এদিন। পাশাপাশি চলতি মাসেই সমস্ত বিধায়ক ও সাংসদদের নিয়ে দেউচা পাঁচামি অভিযানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: পাকিস্তানে আছড়ে পড়ল ভারতের মিসাইল, কী বলছে প্রতিরক্ষামন্ত্রক?]

রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার জানান, “অনিচ্ছুকদের জমি নেওয়া যাবে না। এই দাবিতে আমাদের অভিযান হবে।” বিধায়কদের অতিরিক্ত দায়িত্ব বন্টন করে দেওয়া হয়েছে এদিন। বিভিন্ন জেলায় দলের জেলা কমিটি ও জেলা সভাপতি নিয়ে ক্ষোভ ঠেকাতে দলীয় বিধায়কদের উদ্যোগী হওয়ার বার্তা দিয়েছে রাজ্য নেতৃত্ব। বিধায়করা যাতে নিজেরা উদ্যোগ নিয়ে জেলা নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন সেটা বলা হয়েছে। বিধায়কদের মাথায় রেখে জেলায় জেলায় সমন্বয় কমিটি তৈরির সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিধায়কদের ধরে রাখার ক্ষেত্রে খামতি দেখা যাচ্ছে। বিধায়করা কীভাবে চলবেন বিধানসভায়, তার কোনও গাইডলাইন তৈরি করে দেওয়া হচ্ছে না দলীয় নেতৃত্বের তরফে। যাঁরা যোগ্য সেই সমস্ত বিধায়ককে দায়িত্ব দিয়ে সংগঠনের কাজে লাগানো হচ্ছে না।

Advertisement

বিজেপি বিধায়কদের একটা বড় অংশ এই তিন অভিযোগ নিয়ে দলের অন্দরে সরব। এতদিন ধরে বঙ্গ বিজেপিতে বিক্ষুব্ধ শিবির যেসব অভিযোগ তুলে আসছে দলের ক্ষমতাসীন শিবিরের বিরুদ্ধে। কার্যত সেই একই অভিযোগ ছিল বিজেপির বিধায়কদের একটা বড় অংশের। বিধায়কদের সেই মনের ক্ষোভ সামাল দিতে চাপে পড়ে শুক্রবার বৈঠক করে বঙ্গ বিজেপি। একইসঙ্গে দলের বিধায়কদের সংগঠিত থাকার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সম্প্রতি একাধিক বিধায়কের যে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছিল। তার প্রশমন করাও এদিন বৈঠকের লক্ষ্য ছিল বিজেপির শীর্ষ নেতাদের।

এদিকে, বিরোধী দলের মুখ্য সচেতক মনোজ টিগ্গা শুক্রবার সকালে বিধায়ক মিহির গোস্বামী ও সুদীপ মুখোপাধ্যায়কে নিয়ে রাজভবনে যান। বিধানসভায় তাদের অন্যায়ভাবে সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে ডেপুটেশন দেয় বিজেপির দুই বিধায়ক। এদিন বিধানসভা থেকে এসএসসির চাকরিপ্রার্থীদের ধরনা মঞ্চে গিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

[আরও পড়ুন: নিজের সন্তানকেই অপহরণ করেছেন মা! একরত্তির সন্ধান পেতে আদালতে বাবা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.