গোবিন্দ রায়: রাজ্যের জয়। দিঘার জগন্নাথ মন্দির নিয়ে দায়ের করা জনস্বার্থ মামলা খারিজ করে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। বৃহস্পতিবার গ্রহণযোগ্যতার প্রশ্নে রাজ্যের আপত্তিতেই এই মামলা খারিজ করে দিয়েছে বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি স্মিতা দাস দে-র ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতে মুখ পুড়েছে আইনজীবী তথা বিজেপি নেতা কৌস্তভ বাগচীর। মামলা খারিজ করে দিয়ে আদালত জানিয়েছে, মামলায় উপযুক্ত তথ্য ও নথি নেই।
হাই কোর্টে মামলা খারিজ হওয়ায় বিজেপিকে আক্রমণ করেছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূল মুখপাত্র তথা দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, “হাই কোর্ট তো সঠিক কাজই করেছে। আজেবাজে জনস্বার্থ বিরোধী তথা মানুষের আবেগ বিরোধী মামলা হাই কোর্ট নেয়নি।” তিনি আরও বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিঘায় সঠিকভাবেই জগন্নাথধাম করেছেন। বিজেপির কিছু তৎকাল নেতা তার বিরোধিতায় নেমেছে।”
উল্লেখ্য, গত ৩০ এপ্রিল, অক্ষয় তৃতীয়ায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে উদ্বোধন হয়েছে দিঘার নবনির্মিত জগন্নাথ মন্দিরের। তারপর থেকেই সেখানে ভক্তদের সমাগম লেগে রয়েছে। উদ্বোধনের দিনই সেখান সস্ত্রীক গিয়েছিলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তবে বিজেপির আর কাউকে সেখানে যেতে দেখা যায়নি। অথচ দিঘার জগন্নাথ মন্দির নিয়ে একসময় সংবাদমাধ্যমে অপমানজনক মন্তব্য করেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এক সর্বভারতীয় চ্যানেলে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তিনি মন্তব্য করেছিলেন, “মন্দির তো নয়, ওটা বিনোদন পার্ক হয়ে গিয়েছে।” তাঁর সেই মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করে সোশাল মিডিয়ায় প্রতিবাদে গর্জে ওঠে শাসকদল তৃণমূল। এক্স হ্যান্ডেলে সুকান্তর সেই টেলিফোনিক প্রতিক্রিয়া পোস্ট করে তৃণমূলের কটাক্ষ,”রাজনীতির স্বার্থে হিন্দু ধর্মকে অপমান করতেও দু’বার ভাবেন না হিন্দুধর্মের এই ভণ্ড ধ্বজাধারী, বিজেপির মাতব্বর নেতা।” আর এবারও জগন্নাথ মন্দির নিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করে মুখ পুড়ল বিজেপি নেতার।
সর্বশেষ খবর
-
সরকারি চাকরির প্রস্তুতিতে চার দশক, সমাবর্তনের মঞ্চে উজ্জ্বল রাইসের কৃতীরা
-
৫ জুনেই ৫৮ লক্ষ উদ্ধার, তারপরও কেন এফআইআর হয়নি? রাম মন্দিরের টাকা চুরিতে প্রশ্নের মুখে ট্রাস্ট
-
বীরের ঠোঁট কামড়ে রক্তারক্তি করেছেন কঙ্গনা! ‘চুমুকাণ্ড’ বিতর্কে মুখ খুললেন যুগলে
-
‘দেরি হলে মাথায় আকাশ ভেঙে পড়বে না’, রামমন্দিরে চুরির তদন্ত নিয়ে বলল সুপ্রিম কোর্ট
-
‘এটাই শেষ বক্তব্য’, হুমায়ুনের ‘স্যাটাভাঙা মার’ মন্তব্যে বিধানসভায় ‘সবক’ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর