গোবিন্দ রায়: আদালতে ফের স্বস্তি রেখা পাত্রের। আগামী ৫ জুলাই পর্যন্ত রেখার বিরুদ্ধে পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করতে পারবে না। নির্দেশ কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার।
সপ্তম দফায় অর্থাৎ ১ জুন ভোট ছিল বসিরহাট আসনে। সকাল থেকেই ওই লোকসভা এলাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর প্রকাশ্যে এসেছিল। অশান্তিতে সরাসরি নাম জড়িয়েছিল বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্রের। তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআরও করা হয়েছিল। তারই পরিপ্রেক্ষিতে এবার আদালতে যান রেখা। তাঁর আইনজীবী বিল্বদল ভট্টাচার্যের বক্তব্য ছিল, রেখা সংগ্রামী মহিলা। গণনার আগে ফের তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে পারে পুলিশ। মিথ্যে অভিযোগ করে এমন ধারা দেওয়া হয়েছে যাতে রেখার দশ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। এদিকে রাজ্যের তরফে জানানো হয়, রেখা বিরুদ্ধে যে অভিযোগ রয়েছে, তা গুরুতর। ২ পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালতের নির্দেশ, ৫ জুলাই পর্যন্ত রেখা পাত্রের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ।
[আরও পড়ুন: মোদির প্রত্যাবর্তনের ইঙ্গিত মিলতেই চাঙ্গা শেয়ার বাজার, সূচক বাড়ল ২০০০ পয়েন্ট]
উল্লেখ্য, এর আগে গত ৬ মে অস্ত্র নিয়ে হামলার ঘটনায় ফের সন্দেশখালি (Sandeshkhali) উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। অভিযোগ, অস্ত্র হাতে একদল হামলার চেষ্টা করে এবং বিজেপি (BJP)সমর্থকরা তা রুখে দেন। উদ্ধার হয় অস্ত্রগুলি। কিন্তু হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছিল যাদের বিরুদ্ধে, তারা কেউ গ্রেপ্তার হয়নি এখনও। সেই ঘটনার পর থানার সামনে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। এর পর আবার দিলীপ মল্লিক নামে একজনের বাড়িতে ৪০-৫০ জন লাঠি নিয়ে হামলা করে বলে অভিযোগ ওঠে। তাতে পালটা অভিযোগ করা হয় দিলীপ মল্লিকের তরফে। নাম জড়ায় বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্ররও। এসব নিয়ে মামলা দায়ের হয়। সেই মামলাতেও পুলিশি পদক্ষেপে আপাতত নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আদালত।
[আরও পড়ুন: ‘উত্তরপ্রদেশ ট্রিটমেন্ট হবে, পুরো এনকাউন্টার’, ভোট মিটতেই হুঙ্কার সুকান্তর]
সর্বশেষ খবর
-
ভোরবেলা মোদিকে ফোন করতে চান ট্রাম্প! ‘বন্ধুরা এরকমই’, মন্তব্য মার্কিন রাষ্ট্রদূতের
-
এসআইআর ইস্যুতে প্রধান বিচারপতিকে চিঠি ইন্ডিয়ার, সই করল ‘দলছুট’ আপ-ডিএমকেও
-
প্রেমের টানে ধর্মান্তর, দাড়ি কেটে ইসলাম ছেড়ে হিন্দু হলেন উত্তরপ্রদেশের যুবক, গ্রেপ্তার প্রেমিকা
-
‘সুরক্ষা সুনিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব’, ডিম ছোড়া বন্ধে রাজ্যকে গাইডলাইন তৈরির নির্দেশ আদালতের
-
আরবানায় থাকার যোগ্যতা থেকে ফুটপাথের মেয়েকে অসম্মান, রচনার ‘কুবচনে’ ফুঁসছেন ঋদ্ধি- ঋত্বিক-শ্রীলেখারা