Baruipur Encounter Case

রাতে ঘটনার পুনর্নির্মাণ থেকে এনকাউন্টার, বারুইপুর কাণ্ডে জেলা পুলিশ সুপারের রিপোর্ট তলব হাই কোর্টের

ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ আদালতের। মামলার পরবর্তী শুনানি ১৭ আগস্ট।

গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: জুলাই ৩০, ২০২৬, ১৮:৪৯

options
link
রাতে ঘটনার পুনর্নির্মাণ থেকে এনকাউন্টার, বারুইপুর কাণ্ডে জেলা পুলিশ সুপারের রিপোর্ট তলব হাই কোর্টের
বারুইপুর এনকাউন্টার মামলায় জেলা পুলিশ সুপারের রিপোর্ট তলব হাই কোর্টের।

বারুইপুরে নির্যাতিতা ধর্ষণ-খুন কাণ্ডে অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের এনকাউন্টারের ঘটনায় এবার জেলা পুলিশ সুপারের রিপোর্ট তলব করল কলকাতা হাই কোর্ট। ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ আদালতের। এই ঘটনায় রাজ্যের করা পদক্ষেপগুলিও রিপোর্টে জানাতে নির্দেশ দিয়েছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ। মামলার পরবর্তী শুনানি ১৮ আগস্ট।

Advertisement

বারুইপুর এনকাউন্টার নিয়ে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন আবেদনকারী শিলাদিত্য রক্ষিত। আবেদনকারীর তরফে আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য আদালতে দাবি করেন, “বারুইপুর ধর্ষণ-খুন কাণ্ডে অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য ঘটনাস্থলে নিয়ে যায়। পুলিশের উচিত ছিল পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা। পুলিশের নিরাপত্তা যদি সঠিক থাকত, তাবলে পুলিশের দাবি মতো, রিভলবার ছিনিয়ে নিতে পারত না অভিযুক্ত, এই ঘটনাও ঘটত না।” অসম ধর্ষণের কথা মনে করিয়ে পুলিশের দাবি ‘মনগড়া’ বলে দাবি করেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন।

Advertisement

আইনজীবীর জবাবে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল রাজদীপ মজুমদার বলেন, “মূল অভিযুক্তকে ৭ জুলাই রাতে ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয় ঘটনার পুনর্নির্মাণ করতে। সেই সময়ই অভিযুক্ত প্রভাব মণ্ডল পুলিশের রিভলবার ছিনিয়ে নিয়ে গুলি চালায়। সেই সময়ই পুলিশের পাল্টা গুলিতে আহত হয় সে। স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। ঘটনায় স্বতঃপ্রণোজিত অভিযোগ দায়ের করেছে পুলিশ। বর্তমানে ঘটনার তদন্ত সিআইডির তত্ত্বাবধানে।” দু’পক্ষের বক্তব্য শোনার পরেই ডিভিশন বেঞ্জ জানায়, এই বিষয়ে প্রশাসনের বিস্তারিত রিপোর্টের প্রয়োজন। বারুইপুর এনকাউন্টারের ঘটনায় পুলিশকে হলফনামা আকারে রিপোর্ট জমা করতে হবে হাই কোর্টে।

Advertisement

প্রসঙ্গত, প্রথম থেকেই পুলিস দাবি করেছে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করতে অভিযুক্তকে নিয়ে বারুইপুরের ঘটনাস্থলে যাওয়া হয়। তখনই সিটের সদস্য রনি সরকারের রিভলবার ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে প্রভাস মণ্ডল। পুলিসকে লক্ষ্য করে এক রাউন্ড গুলিও চালায় বলে দাবি করে পুলিশ। সেই সময় সিটের এক সদস্য অর্ঘ্য মণ্ডল পালটা গুলি চালান। ময়নাতদন্তে ২টি গুলি পাওয়া যায় প্রভাসের শরীরে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.