গোবিন্দ রায়: আবারও বিচারক হেনস্তা মামলায় বসিরহাট কোর্টের আইজীবীদের একাংশের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করল কলকাতা হাই কোর্ট। আদালতের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে বিচারপতি দেবাংশু বসাকের মন্তব্য, “কালো কোট গাউন পড়লেও এঁরা এই পেশার লোক হতে পারে না। তাদের বিরুদ্ধে এখনই এফআইআর রুজু করে হেফাজতে নেওয়া প্রয়োজন।” তাদের ক্ষমা করা যায় না বলেই মন্তব্য বিচারপতির।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বিচারক হেনস্তার অভিযোগ ওঠে বসিরহাট আদালতের আইনজীবীদের একাংশের বিরুদ্ধে। যা নিয়ে মামলা চলছে হাই কোর্টে। সেই মামলাতেই ওঠে ২০১২ সালের একই ঘটনার অভিযোগ। এক আইনজীবীর দাবি, সেবছরও সেখানে কোর্টরুমে উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়। বিচারকের সামনে হাজির করা ৬৩ জন বন্দিকে ছাড়িয়ে দিয়ে এজলাস ফাঁকা করা হয়। কর্মবিরতির মধ্যে আদালতে কাজ হচ্ছিল বলে এমন করা হয়! সেই কথা শুনেই অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারপতি। তিনি বলেন, “এটা তো অবিশ্বাস্য! এরা তো সব পারে। যারা ৬৩ জন ক্রিমিনাল কেসের ধৃতকে জজের সামনে থেকে বের করে নিয়ে গিয়ে এজলাস ফাঁকা করতে পারে, তারা সব পারে। তাদের কোনও বক্তব্য আর থাকতে পারে বলে মনে করি না।”
এদিন রাজ্যের তরফে জানানো হয়, আইনজীবীদের বসার জায়গা করতে একটা নির্মাণ করা হচ্ছিল। সেই কাজ চলছে। যার জেরে বিচারপতি বসাক ওই নির্মাণের সাইট প্ল্যান জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। শুনানি চলাকালীন প্রশ্ন তুলে সাইট প্ল্যান জমা না দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলে আদালত। বুধবারের মধ্যে সেই সাইট প্ল্যান জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিকে এদিন বসিরহাট কোর্টের আইনজীবীরা অভিযোগ প্রেক্ষিতে কারণ দর্শে হাই কোর্টে হলফনামা জমা দেয়।
সর্বশেষ খবর
-
ব্রিটিশ ভারতের এই ৪ রেলপথে আজও ভ্রমণ করতে পারেন, দেশের কোথায় কোথায় অবস্থিত জানেন?
-
‘তৃণমূল জিতলে তৃণমূলেই থাকতাম’, অকপট স্বীকারোক্তি রচনার, মুখ খুললেন ‘আরবানা’ বিতর্কেও
-
জন্মশতবর্ষে মহানায়ককে শ্রদ্ধা, কলকাতায় ৪ দিনের বিশেষ প্রদর্শনী ‘উত্তম- দ্য মহানায়ক’
-
এবার ডিম খেলেন উপাসনা! আশুতোষ কলেজে জনরোষের মুখে কালীঘাট তৃণমূলের নেত্রী
-
একরত্তির সঙ্গে সেলফি, তারপরই ১১ মাসের মেয়েকে সেতু থেকে যমুনায় ছুড়ে ফেলে দিল বাবা!