Calcutta High Court

প্রশান্ত বর্মনকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ, তদন্তকারী অফিসারের উপরেও খড়্গহস্ত হাই কোর্ট

স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনের ঘটনায় ধৃত তৃণমূল নেতার জামিনের আবেদনও এদিন খারিজ করে দিয়েছে আদালত।

গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: জুন ৩, ২০২৬, ২১:৪৩

options
link
প্রশান্ত বর্মনকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ, তদন্তকারী অফিসারের উপরেও খড়্গহস্ত হাই কোর্ট
ফাইল ছবি।

স্বর্ণ ব্যবসায়ীর অপহরণ এবং খুনে অভিযুক্ত অপসারিত বিডিও প্রশান্ত বর্মণের বিরুদ্ধে আগামী ১০ দিনের মধ্যে পুলিশি পদক্ষেপের নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। জামিন চেয়ে আনা মামলায় বুধবার এই নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্টের গ্রীষ্মের অবকাশকালীন বেঞ্চের বিচারপতি অপূর্ব সিনহা। রাজ্য পুলিশের ডিজি-কে ১০ দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে একটি সম্মতি প্রতিবেদন দাখিল করার কথাও বলেছেন বিচারপতি। শুধু তা-ই নয়, দায়িত্বে গাফিলতির জন্য তদন্তকারী অফিসারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

Advertisement

স্বর্ণ ব্যবসায়ীর অপহরণ এবং খুনে অভিযুক্ত অপসারিত বিডিও প্রশান্ত বর্মণের বিরুদ্ধে আগামী ১০ দিনের মধ্যে পুলিশি পদক্ষেপের নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। জামিন চেয়ে আনা মামলায় বুধবার এই নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্টের গ্রীষ্মের অবকাশকালীন বেঞ্চের বিচারপতি অপূর্ব সিনহা।

বিধাননগরে দত্তাবাদে স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যার অপহরণ এবং খুনে মূল অভিযুক্ত হিসাবে নাম জড়ায় রাজগঞ্জের তৎকালীন বিডিও প্রশান্ত। ওই অপহরণ-খুনের মামলায় যে কয়েক জন গ্রেফতার হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম কোচবিহারের তৃণমূল নেতা সজল সরকার। গ্রেফতারির সময় তিনি ছিলেন কোচবিহার-২ ব্লকের সভাপতি। জামিন চেয়ে তিনি কলকাতা হাই কোর্টে মামলা করেছিলেন। ধৃতের বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেনি পুলিশ। দিন কয়েক আগে নিউ টাউনে মত্ত অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে দুর্ঘটনা ঘটান পালিয়ে বেড়ানো প্রশান্ত। গ্রেফতার হওয়ার পরের দিনই তিনি জামিন পেয়ে যান। এখন সজলের বক্তব্য, অপহরণ এবং খুনে মূল অভিযুক্ত ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তাঁরা বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হয়নি। পুলিশ তাঁকে হাতের নাগালে পেয়েও প্রশান্তকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। সজলের আইনজীবীর সওয়াল, তাঁর মক্কেলকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।

Advertisement

এরপরেই কলকাতা হাই কোর্টের পর্যবেক্ষণ, মূল অভিযুক্ত প্রশান্তকে গ্রেফতার তো করাই হয়নি। উল্টে চার্জশিটেও তাঁর সম্পর্কে স্পষ্ট কোনও উল্লেখ নেই। বিচারপতি জানান, ওই মামলার পুলিশের তদন্তকারী আধিকারিক শাশ্বত বন্দ্যোপাধ্যায় আইন মেনে নিজের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন। আদালত এই ঘটনাকে গুরুতর কর্তব্যে অবহেলা বলে মনে করছে। তাই রাজ্য পুলিশের ডিজি-কে অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। এদিন মামলায় সজলের জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে আদালত।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.