গোবিন্দ রায়: বেআইনি নির্মান। আস্ত ২৬ তলা নির্মাণ ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। আগামী দু’মাসের মধ্যে ভাঙতে হবে নির্মাণটি। সঙ্গে অনুমোদন দেওয়ার সঙ্গে যুক্ত নিউটাউন কলকাতা ডেভলপমেন্ট অথরিটির অভিযুক্ত আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে উচ্চ আদালত। স্টেট ভিজিল্যান্স কমিশনকে বিভাগীয় ও ফৌজদারি বিধিতে তদন্তেরও নির্দেশ বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা ও বিচারপতি অজয়কুমার গুপ্তর ডিভিশন বেঞ্চের।
হাই কোর্ট সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০০৭ সালে নিউটাউনে ১৫টি টাওয়ার মিলিয়ে ১২৭৮টি ফ্ল্যাট তৈরির কথা ঘোষণা করে একটি বেসরকারি সংস্থা। তবে ২০১৪ সালে এই গোটা প্রকল্পটি অন্য একটি বেসরকারি সংস্থার কাছে বিক্রি করে দেয় প্রথম সংস্থাটি। অভিযোগ, নতুন সংস্থাটি দায়িত্ব নেওয়ার পর আরও একটি টাওয়ার বানানোর অনুমোদন পেয়ে যায়। ১৬ নম্বর টাওয়ারটি ২৬ তলার। সেখানে মোট ২৩৩টি ফ্ল্যাট নির্মাণ হয়।
ওই নতুন টাওয়ারটি বেআইনি নির্মাণ বলে অভিযোগ ওঠে। আদালতের দ্বারস্থ হন বাকি ১৫টি টাওয়ারের বাসিন্দা। তাঁদের অভিযোগ ১৬টি নম্বর টাওয়ারটি নির্মাণ প্রকল্পের মধ্যে ছিল না। তা তৈরি হওয়ার পর বাসিন্দারা আলো, বাতাস পাচ্ছিলেন না। নতুন টাওয়ার তৈরির ক্ষেত্রে বাসিন্দাদের অনুমতি নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ ওঠে।
মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালতের পর্যবেক্ষণ, ২০০৭ সালে যে শর্তে প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল, তা দেখেই ওই ফ্ল্যাটগুলি কিনেছিলেন বাসিন্দারা। পরবর্তীতে একটি অতিরিক্ত টাওয়ারের অনুমোদন দেওয়া বেআইনি। আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিয়েও তা মেটানো সম্ভব নয়। তাই গোটা টাওয়ারটি বেআইনি। আদালতের রায়, দু’মাসের মধ্যে ২৬ তলার টাওয়ারটি ভেঙে দেওয়া দিতে হবে। সঙ্গে যারা ওই টাওয়ারে ফ্ল্যাট কিনেছিলেন তাঁদের মূল অর্থ ৭ শতাংশ সুদ সহকারে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ।
সর্বশেষ খবর
-
ফের রণক্ষেত্র মণিপুর, স্কুলের প্রধানশিক্ষক-সহ ৫ জনের রক্তে লাল হল মাটি!
-
‘বেঁচে আছে তো?’ বেড়াতে গিয়ে বিধ্বস্ত নেপালে নিঁখোজ কলকাতার ৬! উৎকণ্ঠায় পরিবার
-
মুহূর্তে ‘জলরাক্ষস’ গ্রাস করল স্ত্রী-পুত্রকে! নেপালের ব্যবসায়ীর দু’চোখে এখনও আতঙ্ক ও বিষাদ
-
ক্যামাক স্ট্রিটে ফের ঝুলল ‘বেআইনি’ হোর্ডিং! ‘যতদূর যেতে হয়, যাব’ পুলিশের সঙ্গে গাজোয়ারির পর হুঁশিয়ারি অভিষেকের
-
মহারাষ্ট্র পিএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ‘ফাঁস’! ব্যর্থ প্রেমকাহিনিতেই প্রকাশ্যে কেলেঙ্কারি