গোবিন্দ রায়: যাদবপুর কাণ্ডে আদালতে স্বতি পেলেন না অভিযুক্ত পড়ুয়া উদ্দীপন কুণ্ডু। বুধবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেওয়া সম্ভব না। পুলিশ যেমন তদন্ত চালাচ্ছে চালিয়ে যেতে পারবে। পুলিশের বিরুদ্ধে হেনস্তার অভিযোগ তুলে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। তাঁর অভিযোগ ছিল, পুলিশ তদন্তের নামে ডেকে হেনস্তা করছে। মোবাইল ফোন জমা দেওয়ার কথা বলছে।
বুধবার মামলাটির শুনানি হয় বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে। সেখানে উদ্দীপনের আইনজীবী দাবি করেন, মোবাইল ব্যক্তিগত ডিভাইস। সেখানে অনেক পার্সোনাল তথ্য আছে। সেগুলো পাবলিক করতে আপত্তি আছে। সুপ্রিম কোর্টও যে মোবাইল ফোনকে ব্যক্তিগত ডিভাইস হিসেবে চিহ্নিত করেছে, সেই কথা আদালতে তুলে ধরেন তিনি।আইনজীবীর আরও বক্তব্য, পুলিশের সব জবাব দেওয়ার পরেও কেন অসন্তোষের কথা বলছে তারা? হেনস্তা করতে তারা ইচ্ছাকৃতভাবে এটা করছে। একজন ছাত্রের সঙ্গে কীভাবে, এমন আচরণ করা যায় সেই প্রশ্নও তোলেন অভিযুক্তের আইনজীবী।
সওয়াল শুনে বিচারপতি ঘোষ বলেন, আপনার মক্কেলের নাম এফআইআরে রয়েছে। তিনি অভিযুক্ত। এই অবস্থায় কোর্ট কোনও ভাবেই-এর মধ্যে ঢুকবে না। এফআইআরে নাম থাকা অভিযুক্ত ছাত্র হলেও, কোনও রিলিফ দিলে তা খারাপ বার্তা বহন করবে। তবে পড়ুয়ারা যাতে ফোন ফেরত পান, নতুন মোবাইল কিনতে না হয় সেই দিকটি পুলিশকে দেখতে বলেছেন বিচারপতি। পাশাপাশি, দু’পক্ষকেই হলফনামা পেশ করতে বলেছে আদালত। মামলার পরবর্তী শুনানি এপ্রিল মাসে।
সর্বশেষ খবর
-
পরকীয়ার জের, তরুণীকে ‘খুনে’র পর টুকরো করে স্যুটকেসে! দোষী সাব্যস্ত ব্যাঙ্ক ম্যানেজার
-
নথি দিচ্ছিলেন না স্বামী, অন্নপূর্ণার ফর্ম নিয়ে অশান্তি! স্ত্রীকে খুন করে আত্মঘাতী ব্যক্তি
-
পেনাল্টি বক্সের সামনে অর্ধগোলাকৃতি জায়গা, কী কাজ ‘ডি বক্সে’র? বিশ্বকাপের মাঝে জানুন খুঁটিনাটি
-
যুদ্ধের জেরে জ্বালানি তেলের সংকটে খোদ রাশিয়া! ‘পরিস্থিতি গুরুতর’, মানলেন পুতিন
-
শান্তিপুরে স্কুলের ছাদে বোমা! স্কুল চত্বরে ‘সমাজবিরোধীদের ঠেক’, নিরাপত্তার দাবিতে সরব কর্তৃপক্ষ