Calcutta High Court

আইনের রক্ষকই ডাকাতিতে যুক্ত! কনস্টেবলের জামিনের আর্জি খারিজ হাই কোর্টের

২০২২ সালের ২ নভেম্বর কলকাতার ময়ূরভঞ্জ রোডের ধারের একটি হোটেলে ডাকাতির ঘটনা ঘটে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩১, ২০২৫, ১৬:১৮

options
link
আইনের রক্ষকই ডাকাতিতে যুক্ত! কনস্টেবলের জামিনের আর্জি খারিজ হাই কোর্টের
ফাইল ছবি।

গোবিন্দ রায়: ডাকাতির ঘটনায় অভিযুক্ত কনস্টেবল জেল খাটছেন আড়াই বছর। জামিন চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। সেই আবেদন নাকচ করল হাই কোর্ট। আদালত জানিয়েছে, অভিযুক্ত পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে অপরাধে যুক্ত থাকার যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। তাঁকে এখনই জামিন দেওয়া যাবে না।

Advertisement

হাই কোর্টে এখন গ্রীষ্মকালীন ছুটি চলছে। তবে বিশেষ বেঞ্চে অনেক মামলার শুনানি চলছে। শুক্রবার বিচারপতি পার্থসারথি সেনের বেঞ্চে অভিযুক্ত কনস্টেবলের জামিনের শুনানি হয়। অভিযুক্ত জানান, তিনি ডাকাতির বিষয়ে বিশেষ কিছু জানতেন না। সিনিয়র কনস্টেবলের কথায় সকাল ১০টা নাগাদ ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। তাঁর কথা মতোই হোটেল রুমের বাইরে পাহারা দিচ্ছিলেন। পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে বিচারপতি সেনের মন্তব্য, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। নিম্ন আদালতে (আলিপুর আদালতে) এই মামলার বিচার প্রক্রিয়া চলছে। এখনই তাঁকে জামিন দেওয়া যাবে না।

Advertisement

পুলিশকর্মীকে কলকাতার ময়ূরভঞ্জ রোডের ধারে একটি হোটেলে ডাকাতির ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়। সেই সময় তিনি কলকাতার একবালপুর থানায় কর্মরত ছিলেন। বিপুল টাকা চুরি যাওয়ার ঘটনায় একই থানার এক সিনিয়র কনস্টেবলকেও গ্রেপ্তার করা হয়। মামলা শুরু হয় আলিপুর আদালতে। সেই মামলা এখনও চলছে। কিছুদিন আগে ওই সিনিয়র কনস্টেবলও হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েছিলেন। সেই সময় কিন্তু তা নাকচ করে দেন বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিচারপতি অপূর্ব সিনহা রায়ের ডিভিশন বেঞ্চ।

Advertisement

জামিনে আর্জি খারিজের বিষয়ে বিচারপতিদের পর্যবেক্ষণ ছিল, পুলিশের কাজ সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা দেওয়া। আইনের রক্ষকের বিরুদ্ধেই আইন ভাঙা ও অপরাধে যুক্ত থাকার অভিযোগ দুঃখজনক। চুরি-ডাকাতি করা পুলিশের কাজ হতে পারে না। নিজের পদের অপব্যবহার করেছেন এবং সুবিধা নিয়েছেন ওই পুলিশকর্মী।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ২ নভেম্বর কলকাতার ময়ূরভঞ্জ রোডের ধারের একটি হোটেলে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, ৩৩ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা খোয়া যায়। তদন্তে নামে পুলিশ। ডাকাতিতে যুক্ত থাকার অভিযোগে একবালপুর থানার সিনিয়র কনস্টেবল ও এক কনস্টেবলকে গ্রেপ্তার করেন তদন্তকারীরা। সিনিয়র কনস্টেবলের জামিনের আবেদন আগেই খারিজ হয়ে যায়। এবার আরও এক অভিযুক্ত পুলিশকর্মীর জামিনের আর্জি খারিজ করল উচ্চ আদালত।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.