অর্ণব আইচ: ভাগাড় কাণ্ডে মাংস বিশু ধরা পড়লেও তার বহু সঙ্গী এখনও পলাতক। সেই পলাতক সঙ্গীদের সন্ধানে সোমবার সারারাত পূর্ব কলকাতার ট্যাংরা, নারকেলডাঙা ও মানিকতলায় তল্লাশি চালাল সিআইডি। ভাগাড়ের পচা মাংস বিক্রির চক্রের মাথা মাংস বিশু সোনারপুর থেকে গ্রেপ্তার হওয়ার পর তাকে জেরা করেন ডায়মন্ডহারবার জেলা পুলিশের কর্তারা। তাকে জেরা করে আবিদ, মারুফ, ইরফানের মতো তার বেশ কয়েকজন সঙ্গীর নাম বলেছিল মাংস বিশু। তাদের মধ্যে আবিদের হাত ধরেই সে পচা মাংসের ব্যবসায় নামে। এ ছাড়াও অন্য সঙ্গীরা তাকে সরাসরি সাহায্য করত।
কীভাবে ভাগাড়ের মাংস ‘টাটকা’ বলে বিক্রি করা যায়, তা-ও সে ওই সঙ্গীদের হাত ধরেই জেনেছিল। এই নামগুলি পরবর্তীকালে জানতে পারে সিআইডি। তাদের ঠিকানার সন্ধান মেলে। জানা যায়, তারা মূলত নারকেলডাঙা, মানিকতলা ও ট্যাংরার বাসিন্দা। মূলত মাংস বিশুর পাঁচ সঙ্গীর সন্ধানে সারারাত ধরে চলে তল্লাশি। কিন্তু তারা কেউই বাড়িতে না থাকায় কাউকে ধরা যায়নি। তারা গা ঢাকা দিলেও তাদের বাড়ির উপর শুরু হয়েছে নজরদারি। ভাগাড় কাণ্ডে যুক্ত আরও কয়েকজন এজেন্টের নামও এসেছে সিআইডির হাতে। তাদের সন্ধানেও তল্লাশি শুরু হয়েছে। এদিকে, নারকেলডাঙা ও মানিকতলার যে দু’টি কোল্ড স্টোরেজ থেকে ভাগাড়ের পচা মাংস উদ্ধার হয়েছে, তার মালিকেরও সন্ধান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সর্বশেষ খবর
-
হরমুজ এবার ট্রাম্প প্রণালী! ইরানের সঙ্গে উত্তেজনার মাঝেই গর্জন মার্কিন প্রেসিডেন্টের
-
কখনও জলে ডুবে, কখনও ঠায় শুয়ে, আচমকা কী হল ‘রামলালে’র?
-
বয়স ভাঁড়ানোর অপরাধে ‘বাংলা’র ক্রিকেটারকে দু’বছরের নির্বাসনে পাঠাল বোর্ড
-
পুজোর আগে বেহাল পিচ রাস্তা মেরামত, বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকে কী জানালেন পুর ইঞ্জিনিয়াররা?
-
প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান হিসেবে বিদেশে ত্রিশতরান! দক্ষিণ আফ্রিকায় ইতিহাস হৃদয়ের