ভারতীর ব্যাংক লকার পরীক্ষা সিআইডির, স্বামীকে ভবানী ভবনে জেরা

বিয়ের সময় ৭৫ ভরি সোনার গহনা পেয়েছিলেন, দাবি প্রাক্তন আইপিএস-এর।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১৮, ১৭:২৮

options
link
ভারতীর ব্যাংক লকার পরীক্ষা সিআইডির, স্বামীকে ভবানী ভবনে জেরা

অর্ণব আইচ: প্রাক্তন আইপিএস অফিসার ভারতী ঘোষের ব্যাংকের দু’টি লকার পরীক্ষা করল সিআইডি। মঙ্গলবার ভারতীর স্বামী এম ভি রাজু ও তাঁর আইনজীবীকে নিয়ে সাদার্ন অ্যাভিনিউয়ের একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে যায় গোয়েন্দাদের একটি দল। সবার সামনেই লকারগুলি খোলা হয়। গোয়েন্দারা লকারে থাকা সোনার গহনা ভারতীর আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ কি না তা খতিয়ে দেখেন। সংবাদমাধ্যমকে ভারতী জানিয়েছেন, তিনি জমিদার বাড়ির মেয়ে। বিয়ের সময় ৭৫ ভরি সোনার গহনা পেয়েছিলেন। সরকারি নথিতে তার উল্লেখও আছে। রাজুর আইনজীবী পিনাকী ভট্টাচার্যও একই কথা জানিয়েছেন।

Advertisement

[মেটিয়াবুরুজের ‘ডেরায়’ আটক কিশোরী, উদ্ধারে ভয় পুলিশের]

দু’বার নোটিস পাঠানোর পর এদিন রাজু ভবানী ভবনে আসেন। আগে দু’বার তিনি অসুস্থতার কারণে আসতে পারেননি বলে দাবি করেছেন। এদিন বেশ কিছুক্ষণ তাঁকে জেরা করেন সিআইডির অফিসাররা। তাঁর বয়ান রেকর্ড হয়। কিছু প্রশ্নের উত্তর তিনি এড়িয়ে যান বলে সূত্রের খবর। সিআইডি জানিয়েছে, ঘাটাল আদালতের নির্দেশে এদিন ভারতীর ব্যাংকের লকার পরীক্ষা হয়। তল্লাশির সময় তাঁর আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, সোমবার সিআইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন ভারতী ঘনিষ্ঠ আর এক পুলিশ আধিকারিক প্রদীপ রথ। মেদিনীপুর থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে সিআইডি। ভারতীর স্বামী এম এ ভি রাজুর বাড়িতে তল্লাশি চালানোর সময়ই প্রদীপ রথকে ক্লোজ করা হয়। মেদিনীপুরের ব্যবসায়ী চন্দন মাঝি দাসপুর থানায় সোনা প্রতারণা, লুটপাট ও তোলাবাজির অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। এই ঘটনায় প্রদীপ-সহ বেশ কয়েকজন পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়। সেই ঘটনার সময় প্রদীপ ঘাটাল থানায় ওসির দায়িত্বে ছিলেন।

Advertisement

[সন্তানহারার সঙ্গেও প্রতারণা, আর্থিক অনুদানের ৩ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ আইনজীবীর]

ভারতী ঘনিষ্ঠ অন্য কয়েকজন পুলিশ অফিসারকে সিআইডি আগেই গ্রেফতার করেছে। সোমবার ধৃত প্রদীপ রথকে এদিন আদালতে তোলা হয়। সোনার বদলে টাকা দ্বিগুণ করার তদন্তে নেমে পশ্চিম মেদিনীপুরের প্রাক্তন পুলিশ সুপার ভারতীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে তল্লাশি চালিয়ে সিআইডি কিছু নথি পেয়েছে। এ বিষয়ে ভারতী মুখ খুলেছেন। তিনি জানিয়েছেন, “শুনেছি, আদালতের নির্দেশ নিয়ে না কি সিআইডি আমার লকার ভেঙেছে। দাসপুর মামলায় ৩৭৫ গ্রাম সোনা উদ্ধারে সিআইডি বাড়ি-বাড়ি তল্লাশি চালিয়েছে। ১৯৯৪ সালে আমি যখন প্রথম পুলিশের চাকরিতে যোগ দিই, তখন আমার সমস্ত সম্পত্তির হিসাব দেওয়া আছে সরকারের কাছে। মধুপুরের জমিদার বংশের মেয়ে আমি। আমার বিয়ের সময় বাবা প্রচুর সোনা দিয়েছিলেন।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.