সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পূর্ণিমায় ভরা কোটাল। উপচে পড়েছে আদি গঙ্গা। আর তার সংলগ্ন এলাকা হওয়ায় কালীঘাটে ঢুকেছে সেই জল। এমনকী জলমগ্ন মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িও! এমনই দৃশ্য দেখা গেল বৃহস্পতিবার দুপুর নাগাদ। মুখ্যমন্ত্রীর কালীঘাটের বাড়ির গেট থেকে সদর দরজা পর্যন্ত উঠোন, বাগান জলে প্লাবিত। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শন করতে গিয়েছিলেন পাঁশকুড়া ও উদয়নারায়ণপুর। সেখানেই তিনি খবর পান, বাড়িতে জল ঢুকেছে। সাবধান করে দেন বাড়ির সদস্যদের। কোটালের জল নামতে সময় লাগবে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।
কালীঘাটের পাশ দিয়েই বয়ে গিয়েছে টালি নালা। ভরা কোটালের জেরে গঙ্গায় জলস্ফীতি হলে তার প্রভাব পড়ে এই নালা সংলগ্ন আশপাশের এলাকায়। মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি এই অঞ্চলে হওয়ায় আগেও বেশ কয়েকবার সেখানে জল ঢুকেছে। তবে এবারের জলের পরিমাণ একটু বেশি। বৃহস্পতিবার দুপুরে মমতা যখন উদয়নারায়ণপুরের বন্যা পরিস্থিতি দেখছেন, সেসময়ই তাঁর কাছে খবর আসে যে নিজের বাড়িও জলমগ্ন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, ”ভরা কোটালের জল ঢুকেছে আমার বাড়িতেও। আমি খবর পেয়ে লতাকে (অভিষেকের মা) বললাম, সবাইকে সাবধানে সরিয়ে নিয়ে যেতে। ও-ই সবসময়ে আমার সঙ্গে থাকে। এই জল নামতে ৩-৪ ঘণ্টা সময় লাগবে।”
গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি এবং তাতে ডিভিসি-র তরফে জল ছাড়া, জোড়া ফলায় দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা প্লাবিত। দুদিন ধরে সেসব এলাকা পরিদর্শন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। ডিভিসি-কেই বার বার দুষেছেন তিনি। এমনকী ডিভিসি-র সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার কথাও বলেছেন। রাজ্যবাসীর জলযন্ত্রণার পাশাপাশি নিজের বাড়ির সমস্যার কথাও বলেছেন সাংবাদিকদের। যদিও দুই পরিস্থিতি সম্পূর্ণ পৃথক।
সর্বশেষ খবর
-
হড়পা বানে মৃত্যুমিছিল, নেপালে একতা চাইছেন ‘ভারতবিদ্বেষী’ বলেন্দ্র! নয়াদিল্লির পাঠানো ত্রাণ নেবেন?
-
যজ্ঞেই শয়তান তাড়ানোর কথা বলে ‘শ্লীলতাহানি’, গয়না নিয়ে উধাও সঙ্গিনী-সহ তান্ত্রিক
-
হড়পা বানে আটকে কৈলাসযাত্রী শিষ্যরা, বিধ্বস্ত নেপালে উদ্ধারকাজে নামতে চান সদগুরু!
-
রাজ্যে উড়ল প্যালেস্তাইনের পতাকা! ‘জাতীয় মর্যাদার সঙ্গে আপস নয়’, কড়া বার্তা শুভেন্দুর
-
হাতে হাত, রংমিলান্তি পোশাক, ফের একফ্রেমে রাজ-শুভশ্রীকে দেখে শান্তি ভক্তদের