CM Suvendu Adhikari

‘আইনের অপপ্রয়োগ হবে না’, সিএএ-ওয়াকফে হিন্দু নির্যাতনে ‘গুন্ডা’দের হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর

প্রিভেন্টিভ অ্যারেস্ট নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। শুধুমাত্র গুন্ডাদের উপরই এই আইন প্রযোজ্য। জানান মুখ্যমন্ত্রী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৯, ২০২৬, ১৮:০৪

options
link
‘আইনের অপপ্রয়োগ হবে না’, সিএএ-ওয়াকফে হিন্দু নির্যাতনে ‘গুন্ডা’দের হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর

বিধানসভায় পাশ হয়েছে গুন্ডাদমন বিল। সেই বিলের আলোচনায় বলতে উঠে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানালেন আইনের অপব্যবহার করা হবে না। প্রিভেন্টিভ অ্যারেস্ট নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। শুধুমাত্র গুন্ডাদের উপরই এই আইন প্রযোজ্য। তবে সিএএ- ওয়াকফ হিংসায় হিন্দুদের উপর নির্যাতন, সম্পত্তি নষ্ট কথা মনে করিয়ে, তাঁর হুঁশিয়ারি গুন্ডাদের রেয়াত করা হবে না। তাঁদের কড়া শাস্তি দিতেই এই আইন। শুধু খাতায় কলমে নয়, দ্রুত ব্যবস্থাও নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

Advertisement

সিএএ থেকে ওয়াকফ। এই সংশোধনী আইনকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়েছে বাংলা। প্রতিক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে একদল দুষ্কৃতীদের তাণ্ডবে তা হিংসার আকার নিয়েছিল। এ ছাড়াও বিভিন্ন সময়ে নানা প্রান্তে গুন্ডাদের দৌরাত্ম্য দেখেছে বাংলা। তা টেবিলের তলায় পুলিশের লোকানোর ছবি হোক কিংবা, নিষ্ক্রিয়তা। সমালোচনায় বিদ্ধও হয়েছিল তৎকালীন তৃণমূল সরকার। তা দমন করতেই এই সংশোধনী বিল বলে জানিয়েছে বর্তমান সরকার। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সোমবার বিধানসভায় এই বিলের আলোচনার সময় বলতে উঠে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তুলেছেন সিএএ ও ওয়াকফ প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, “মুর্শিদাবাদে রেললাইন উপড়ে দিয়েছিল। রেলে কী শুধু হিন্দুরা চড়েন। মুসলমান চড়েন না। এই লাইন তো গনি খান চৌধুরী পেতেছিলেন।” আরও হিসাব দিয়ে জানান, “বেলডাঙায় ৫০০ দোকান জ্বলল। নিমতিতায় ৬৮টি দোকানে আগুন। রেজিনগরেও আগুন। নবান্ন থেকে কিছুটা দূরে সাঁতরাগাছিতে ৩৭টি বাস জ্বালানো হয়েছিল। ২২টি সরকারি বাস। গোটা হাওড়া জেলা ৩৬ ঘণ্টা অবরুদ্ধ করা হয়। জাতীয় সড়ক বন্ধ ছিল। বেথুয়াডহরি, বহরমপুরে কী করেননি। করমণ্ডল এক্সপ্রেস দাঁড় করিয়ে বড় বড় পাথর।”

Advertisement

সিএএ-র পাশাপাশি ওয়াকফ সংশোধনী আইনের সময়ে উত্তাল হওয়া মুর্শিদাবাদের কথাও শোনা গিয়েছে শুভেন্দুর মুখে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না নিয়ে বলেন, “প্রাণ থাকতে কার্যকর করতে দেবেন না বলেছিলেন কী হল? মুসলমান ছেড়ে হিন্দুদের দোকান জ্বলল। ব্যবস্থা নিতেন গুন্ডারা এটা করতে পারত না।” হরগোবিন্দ -চন্দন দাসদের হত্যার কথাও শোনা গিয়েছে তাঁর মুখে। শেষে জানান, এই সরকার কোনওমতে গুন্ডামো বরদাস্ত করবে না। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.