Cyclone Remal

ঘূর্ণিঝড় রেমালের দাপট কাটিয়ে দমদম বিমানবন্দরে চালু উড়ান পরিষেবা, এখনও জলমগ্ন রানওয়ে

পরিষেবা চালু হলেও প্রায় সব বিমানই চলছে দেরিতে। ভিড় বাড়ছে যাত্রীদের। অন্যদিকে, দিঘার সমুদ্রে এখনও পর্যটকদের নামা নিয়ে জারি নিষেধাজ্ঞা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৭, ২০২৪, ১১:২৯

options
link
ঘূর্ণিঝড় রেমালের দাপট কাটিয়ে দমদম বিমানবন্দরে চালু উড়ান পরিষেবা, এখনও জলমগ্ন রানওয়ে

বিধান নস্কর, দমদম: ২১ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর সোমবার সকাল থেকে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হল উড়ান পরিষেবা। দমদম বিমানবন্দর থেকে প্রথম বিমানটি রওনা হয়েছে পোর্ট ব্লেয়ারের উদ্দেশে। এছাড়া আরও পর পর বেশ কয়েকটি বিমান ধরার জন্য যাত্রীরা অপেক্ষা করছেন। চালু হয়েছে আন্তর্জাতিক উড়ানও। তবে সব বিমানই কিছুটা দেরিতে (Delay) চলছে বলে জানায় দমদম বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। ঘূর্ণিঝড় রেমালের দাপট থেকে সুরক্ষার স্বার্থে রবিবার দুপুর থেকেই বিমান পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়। বড় দুর্যোগ কাটতেই সোমবার সকাল থেকে ফের চালু হয়েছে পরিষেবা।

Advertisement
দমদম বিমানবন্দরে সোমবার সকাল থেকে চালু পরিষেবা।নিজস্ব ছবি।

এদিন সকালেও দেখা গেল, দমদমের নেতাজি সুভাষ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (Dumdum Airport) জলে টইটম্বুর। রানওয়েও জলমগ্ন। তবে তার মধ্যেও উড়ান পরিষেবা স্বাভাবিক করতে তৎপর কর্তৃপক্ষ। আবহাওয়ার কিছুটা উন্নতি হওয়ায় সকাল প্রায় সাড়ে ৯টা নাগাদ যাত্রীদের জন্য খুলে দেওয়া হয় বিমানবন্দর। পোর্ট ব্লেয়ারে উদ্দেশে ইন্ডিগোর প্রথম যাত্রীবাহী বিমান (Flight) রওনা হয়েছে বলে খবর। এছাড়া চেন্নাই, কোচি, বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদগামী বিমান চলাচলও শুরু হয়েছে। তবে বেশ কিছুক্ষণ দেরিতে চলছে বিমান। আসলে টানা ২১ ঘণ্টা বিমান চলাচল (Flight service) সম্পূর্ণ বন্ধ থাকায় অনেক যাত্রীই সমস্যায় পড়েছিলেন। সকালের বিমান ধরে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে তৎপর তাঁরা সকলে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: মঙ্গলে উত্তর কলকাতায় রোড শো, বাগবাজারের সারদা মায়ের বাড়িও যাবেন মোদি]

এদিকে, রেমালের (Cyclone Remal) প্রভাবে দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরের উপকূলবর্তী এলাকায় এখনও জারি সতর্কতা। নদী বা সমুদ্রের কাছাকাছি যাওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে আজও। রেমালের সঙ্গে ভরা কোটালের প্রভাবে এখনও জলোচ্ছ্বাস রয়েছে দিঘার (Digha) সমুদ্রে। তাই বিপদবার্তা দেওয়া হয়েছে। দিঘায় পর্যটকদের উদ্দেশে সোমবারও মাইকিং করেছে জেলা প্রশাসন। বারবার বলা হয়েছে, সমুদ্রের ধারে না যেতে। একই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে তাজপুর, মন্দারমণির পর্যটকদের উদ্দেশেও।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘পরের বছরও কেকেআর জার্সিতে খেলতে চাই’, ফাইনাল জিতিয়ে বলছেন স্টার্ক]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন